দেশে জ্বালানি তেলের দাম অপরিবর্তিত

জ্বালানি তেলফাইল ছবি: রয়টার্স

ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ছে। তবে দেশে আপাতত জ্বালানি তেলের দাম বাড়ছে না।

দেশে চলতি মার্চ মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম অপরিবর্তিত রেখেছে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়। এ হিসেবে ফেব্রুয়ারির মতো একই দামে মার্চে বিক্রি হবে পেট্রল, অকটেন, ডিজেল, কেরোসিনের মতো জ্বালানি তেল।

আজ রোববার বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক অফিস আদেশে এই তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়, ভোক্তাপর্যায়ে প্রতি লিটার ডিজেলের দাম মার্চে ১০০ টাকা। কেরোসিনের দাম প্রতি লিটার ১১২ টাকা। পেট্রলের দাম প্রতি লিটার ১১৬ টাকা। আর অকটেনের দাম লিটারপ্রতি ১২০ টাকা।

গত মাসে (ফেব্রুয়ারি) একই দামে এসব জ্বালানি তেল বিক্রি হয়েছে। অপরিবর্তিত দাম আজ ১ মার্চ থেকেই কার্যকর হয়েছে। এর আগে গত জানুয়ারি মাসে জ্বালানি তেলের দাম প্রতি লিটারে ২ টাকা এবং ফেব্রুয়ারিতে আরও ২ টাকা করে কমানো হয়েছিল।

২০২৪ সালের মার্চ থেকে বিশ্ববাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে জ্বালানি তেলের স্বয়ংক্রিয় মূল্য নির্ধারণ শুরু করে সরকার। সে হিসাবে আগের মাসে আমদানি করা জ্বালানি তেলের খরচ বিবেচনায় নিয়ে প্রতি মাসে নতুন দাম সমন্বয় করা হয়।

জ্বালানি তেলের স্বয়ংক্রিয় মূল্য নির্ধারণের সূত্র নির্ধারণ করে নির্দেশিকা প্রকাশ করা হয় ২০২৪ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি। নির্দেশিকায় বলা হয়, দেশে ব্যবহৃত অকটেন ও পেট্রল ব্যক্তিগত যানবাহনে বেশি ব্যবহৃত হয়। তাই বাস্তবতার নিরিখে বিলাসদ্রব্য (লাক্সারি আইটেম) হিসেবে সব সময় ডিজেলের চেয়ে অকটেন ও পেট্রলের দাম বেশি রাখা হয়।

জ্বালানি তেলের মধ্যে উড়োজাহাজে ব্যবহৃত জেট ফুয়েল ও বিদ্যুৎকেন্দ্রে ব্যবহৃত ফার্নেস অয়েলের দাম নির্ধারণ করে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। আর নির্বাহী আদেশে ডিজেল, কেরোসিন, পেট্রল ও অকটেনের দাম নির্ধারণ করে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ।