নির্বাচনের পর সহিংসতার নানা খবর: কোনটি সত্য, কোনটি মিথ্যা

শান্তিপূর্ণ ভোটের মধ্যেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অস্থির ছিল নানা গুজবে, তা অব্যাহত রয়েছে নির্বাচনের পরও। এর মধ্যে কয়েকটি স্থানে সহিংসতার খবর এসেছে সংবাদমাধ্যমে, তবে ফেসবুকে এমন আরও খবরে বিভ্রান্ত হচ্ছেন অনেকে। যাচাই করে দেখা যাচ্ছে, কিছু ঘটনা সত্য হলেও কিছু ঘটনার কোনো ভিত্তি নেই। পুরোনো কিছু ভিডিও নতুন করে সামনে এনে নির্বাচনী সংঘাতের খবর হিসেবে দেখিয়েও বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে।

গত বৃহস্পতিবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট গ্রহণ হয় দেশজুড়ে। ভোটের দিন বিচ্ছিন্ন কয়েকটি ঘটনা ছাড়া বড় ধরনের কোনো গোলযোগের খবর পাওয়া যায়নি। নির্বাচনপরবর্তী সংঘর্ষে গতকাল শুক্রবার মুন্সিগঞ্জ ও বাগেরহাটে দুজন নিহত হন। এ ছাড়া মুন্সিগঞ্জ, মেহেরপুর, পটুয়াখালী, দিনাজপুরসহ কয়েকটি এলাকায় সংঘাতের খবর পাওয়া গেছে। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এর বাইরে আরও বিভিন্ন স্থানে সহিংসতার খবর আসছে।

কক্সবাজারে ধর্ষণের ভিডিওটির সত্যতা নিশ্চিত হওয়া যায়নি

‘এনসিপি নেত্রীকে তুলে নিয়ে দলবদ্ধ ধর্ষণ শেষে ফেলে পালিয়েছে বিএনপি নেতা–কর্মীরা’ এ রকম দাবি করে একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে ফেসবুকে। ভিডিওটির কমেন্টসে গিয়ে লেখা দেখা যায়, ঘটনাটি কক্সবাজার শহরের বৈদ্যঘোনাপাড়া এলাকার।

পারিবারিক কলহের ভিডিওকে ‘এনসিপি নেত্রীকে তুলে নিয়ে দলবদ্ধ ধর্ষণ শেষে ফেলে পালিয়েছে বিএনপি নেতা–কর্মীরা’ বলে দাবি করা হয়

লিংক:

লিংক:

এ ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে প্রথম আলোর কক্সবাজার প্রতিনিধি জানান, কক্সবাজার শহরের বৈদ্যঘোনাপাড়া এলাকায় সম্প্রতি নারী ধর্ষণের কোনো ঘটনার তথ্য তিনি পাননি, পুলিশও জানে না। থানায় কেউ অভিযোগও করেনি।

জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অলোক বিশ্বাস প্রথম আলোকে বলেন, নারীকে ধর্ষণের ঘটনা তাঁদের জানা নেই। ভিডিওটি দেখে তাঁরা খোঁজ নিচ্ছেন, কিন্তু এখনো কোনো তথ্য পাননি।

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কক্সবাজার জেলা শাখার সদস্যসচিব ওমর ফারুক প্রথম আলোকে বলেন, একটি ভিডিও তিনিও ফেসবুকে দেখেছেন। কিন্তু এ ঘটনা যে কক্সবাজার শহরের বৈদ্যঘোনা কিংবা ঘোনাপাড়াতে ঘটেছে, তা তিনি নিশ্চিত নন।

যেই অ্যাকাউন্ট থেকে ভিডিওটি পোস্ট করা হয়, সেখানে ভিডিওর ক্যাপশনে লিখা ছিল এটি পারিবারিক কলহের জের ধরে মারধরের একটি ঘটনা।

ঢাবিতে হামলার পুরোনো ভিডিও প্রচার

ফেসবুকে একটি মারধরের ভিডিও শেয়ার করে দাবি করা হচ্ছে, ভোটের পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হল থেকে ইসলামী ছাত্রশিবির ও এনসিপি কর্মীদের বের করে দিয়ে হলের নিয়ন্ত্রণ নিচ্ছে ছাত্রদল। কিন্তু যাচাই করে দেখা গেছে, দাবিটি সত্য নয়।

২০১৮ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রী নিপীড়নের বিচারসহ চার দফা দাবিতে উপাচার্যকে অবরুদ্ধ করার পর প্রতিবাদী শিক্ষার্থীদের ওপর ছাত্রলীগ হামলা চালিয়েছিল। যাচাই করে দেখা গেছে, ভিডিওটি সেই ঘটনার।

কুড়িগ্রামের ঘটনাটি নির্বাচনী সংঘাত নয়

কুড়িগ্রামে ভোট নিয়ে তর্কের জেরে জামায়াতে ইসলামীর এক নেতাকে কুপিয়ে জখম করেছেন বিএনপির কর্মীরা, জামায়াতের পক্ষ থেকে এমন অভিযোগ করা হয়েছে।

বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে প্রথম আলোর কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি জানান, কুড়িগ্রাম জেলায় রাজারহাট উপজেলায় এমন একটি ঘটনা ঘটেছে, তবে তার সঙ্গে নির্বাচনের কোনো সংযোগ নেই। পারিবারিক জমি নিয়ে বিরোধের জেরে কথা–কাটাকাটি থেকে এ সহিংসতা হয়।

রাজারহাট থানা–পুলিশ সরেজমিনে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এর সঙ্গে নির্বাচনের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই বলে জানিয়েছে।

হিন্দুদের ওপর হামলার ভিডিওটি পুরোনো ঘটনার

ভারতীয় একটি এক্স অ্যাকাউন্ট থেকে একটি মারধরের ভিডিও শেয়ার করে দাবি করা হচ্ছে, নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামী পরাজিত হওয়ার পর বাংলাদেশে ইসলামপন্থীরা হিন্দুদের ওপর হামলা শুরু করেছে।

প্রকৃত ঘটনা খালেদা জিয়ার জানাজায় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়াকে কেন্দ্র করে এক ব্যক্তিকে উপস্থিত লোকজন মারধর করেছিলো

লিংক:

ভিডিওটির রিভার্স ইমেজ সার্চ করে দেখা গেছে, এটি মূলত এ বছরের ৩১ জানুয়ারি ঢাকার ঘটনা। খালেদা জিয়ার জানাজায় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়াকে কেন্দ্র করে এক ব্যক্তিকে উপস্থিত লোকজন মারধর করেছিলেন। ভিডিওটি সেই ঘটনার।

অর্থাৎ, জানাজায় স্লোগান দেওয়াকে কেন্দ্র করে ঘটা মারধরের পুরোনো ভিডিওকে নির্বাচনের পর বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর হামলা বলে চালিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে।

জামায়াতের সমর্থকের ঘরে আগুন দেওয়ার ভিডিওটি পুরোনো

জামায়াতের প্রতীক দাঁড়িপাল্লায় ভোট দেওয়ায় বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে দাবি করে ফেসবুকে একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। দাবি করা হচ্ছে, এটি কুমিল্লার দেবীদ্বারের ঘটনা। অনুসন্ধানে দেখা যায়, ভিডিওটি পুরোনো। নির্বাচনের এক মাস আগে থেকেই ফেসবুকে এটি পাওয়া যায়।

লিংক:

কি-ওয়ার্ড সার্চে সোহেলি শেলী নামের একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্টে ভিডিওটি পাওয়া যায়। গত ১৫ জানুয়ারি সর্বশেষ লেখা ক্যাপশনে ভিডিওটি আপলোড করা হয়।

প্রকৃত ঘটনা হচ্ছে দেবীদ্বার থানার গুনাইঘর ইউনিয়নের উনঝুটি গ্রামে, আগুনের সূত্রপাত শুরু হয়েছিল রান্নাঘর থেকে।

লিংক:

লিংক:

১৫ জানুয়ারি থেকে ১৬ জানুয়ারি পর্যন্ত অ্যাকাউন্টটিতে আগুনে জ্বলন্ত বাড়িটি নিয়ে একাধিক ভিডিও পাওয়া যায়। এর মধ্যে একটি পোস্টের কমেন্ট বক্সে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা নিয়ে প্রশ্নের জবাবে সোহেলি শেলী লিখেছেন, এ ঘটনা তাঁর এলাকার নয়। অন্য জায়গায় সিলিন্ডার ব্লাস্ট হয়ে আগুন লেগেছে।

১৬ জানুয়ারির একটি পোস্টে সোহেলি লেখেন, ‘ভাই, যাঁরা যাঁরা জিজ্ঞাসা করেছিলেন যে আগুন কোথায় লাগছে? লোকেশন হচ্ছে কুমিল্লা জেলার দেবীদ্বার থানার গুনাইঘর ইউনিয়নের উনঝুটি গ্রামে। আগুনের সূত্রপাত শুরু হয়েছিল রান্নাঘর থেকে। এরপর ফায়ার সার্ভিস এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমান অবস্থা হচ্ছে, এই তিন ঘর একবারে পুড়ে গেছে।’

কুমিল্লায় হিন্দুদের ওপর হামলার দাবি করে পুরোনো ভিডিও প্রচার

বেশ কিছু পেজ ও অ্যাকাউন্টে গত ৩ জানুয়ারি থেকে ভিডিওটি পাওয়া যাচ্ছে। কিন্তু নির্বাচনের পর ভিডিওটিকে দাঁড়িপাল্লায় ভোট দেওয়ায় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর হামলার ঘটনার বলে প্রচার করা হচ্ছে।

কুমিল্লা-১১ আসনে ধর্মীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর বিএনপি ‘সন্ত্রাসীদের’ হামলা দাবি করে ফেসবুকে একটি ভিডিও প্রচার করা হচ্ছে। তবে বেশ কিছু পেজ ও অ্যাকাউন্টে গত ৩ জানুয়ারি থেকে ভিডিওটি পাওয়া যায়। একটি পেজে ভিডিওটির ক্যাপশনে দাবি করা হয়, ‘আওয়ামী লীগ নেতাকে গ্রেপ্তার করতে এসে জনতার বাধার মুখে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।’

বেশ কিছু পেজ ও অ্যাকাউন্টে গত ৩ জানুয়ারি থেকে ভিডিওটি পাওয়া যায়।

লিংক:

অন্যান্য একাধিক পোস্টে একই রকম দাবি করা হয়েছে। এসব পোস্টগুলো যাচাই-বাছাই করেও ভিডিওটির বিস্তারিত পটভূমি, কোন এলাকার ঘটনা—এসব কিছু জানা যায়নি। তবে এটা নিশ্চিত যে ভিডিওর ঘটনাটি নির্বাচনের সময়কার নয়।

বাগেরহাটে সহিংসতার ঘটনাটি সত্য

জামায়াতের ইসলামী তাদের ফেসবুক পেজে সারা দেশের একাধিক স্থানে জামায়াত ও শিবির কর্মীদের ওপর ‘হামলার’ ঘটনার তালিকা প্রকাশ করেছে। সেখানে দাবি করা হয়, বাগেরহাটে জামায়াত-শিবির নেতা–কর্মীদের ওপর হামলায় ২০ জন আহত।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে প্রথম আলোর বাগেরহাট প্রতিনিধি জানান, বাগেরহাট-৪ (মোরেলগঞ্জ-শরণখোলা) আসনে বিএনপির নেতা–কর্মীদের হামলায় জামায়াতের অন্তত ১০ জন এবং জামায়াত নেতা–কর্মীদের হামলায় বিএনপির অন্তত ১২ জন আহত হয়েছেন। এ ছাড়া বিভিন্ন এলাকায় হুমকি-ধমকিসহ উত্তেজনা বিরাজ করছে।

বরিশালে সংখ্যালঘু পরিবারে হামলার ঘটনাটি ঠিক

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আরেকটি ভিডিও ছড়িয়ে দাবি করা হচ্ছে, বরিশালে ধানের শীষে ভোট দিলেও ‘জামায়াত ট্যাগ দিয়ে’ সংখ্যালঘু যুবককে পিটিয়ে জখম করেছেন যুবদল নেতারা। এই ভিডিওর মন্তব্যের ঘরে অনেকেই বলেছেন এই ঘটনা সত্য নয়।

বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে প্রথম আলোর বরিশাল প্রতিনিধি জানান, গতকাল শুক্রবার সংখ্যালঘু পরিবারের ওপর হামলার ঘটনাটি ঘটে বানারীপাড়া উপজেলার বাইশারী ইউনিয়নে। দুপুরে বিভাস ঋষির বাড়িতে যুবদলের এক নেতার নেতৃত্বে এ হামলা হয়। পরে ঘটনাটি স্থানীয় বিএনপির নেতারা মীমাংসা করার আশ্বাস দেন। তবে কী নিয়ে হামলার ঘটনা ঘটেছে, তা জানা যায়নি।

সন্দ্বীপে জামায়াত নেতার বাড়িতে হামলার দাবিটি ঠিক

চট্টগ্রামের দ্বীপ উপজেলা সন্দ্বীপে জামায়াত নেতাদের বাড়িতে বিএনপি নেতাদের হামলার একটি ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়েছে। যাচাই করে এটি সন্দ্বীপের ভিডিও বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। অনুসন্ধানেও ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে।

প্রথম আলোর সন্দ্বীপ প্রতিনিধি জানান, যাঁদের বাড়িঘরে হামলা হয়েছে, তাঁরা ভোটের দিন দাঁড়িপাল্লার পক্ষে কাজ করেছিলেন। ১২ ফেব্রুয়ারি ভোট গ্রহণ শেষে সন্ধ্যা সাতটায় উপজেলার মুছাপুর ৭ নং ওয়ার্ডে এ হামলার ঘটনা ঘটে। জামায়াত কর্মীদের অভিযোগ, ভোটের দিন সকাল থেকেই বিএনপির কর্মীরা তাঁদের ওপর হামলা চালাতে থাকেন। তখন প্রশাসন তাঁদের নিবৃত্ত করলেও রাতে সংঘবদ্ধ হয়ে বসত ঘরে হামলা করেন।

হামলায় আহত আবদুর রহমান প্রথম আলোকে জানিয়েছেন, ভিডিওটি রেকর্ড হয় তাঁর বাড়ির সিসিটিভি ক্যামেরায়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এটিই ছড়িয়ে পড়েছে।

সন্দ্বীপের মুছাপুর ইউনিয়নের পূর্বপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের কাছে আবদুর রহমানের বাড়ি। নির্বাচন চলাকালে ওই কেন্দ্রে দাঁড়িপাল্লার সমর্থকদের ওপর দফায় দফায় হামলা হয় বলে দাবি করেন আবদুর রহমান। ভোট গ্রহণ চলাকালে দায়িত্বরত একজন ম্যাজিস্ট্রেট প্রথম আলোকে বলেছিলেন, হামলার খবর পেয়ে দ্রুত সাড়া দিয়েছিলেন তাঁরা। অবরুদ্ধ অবস্থা থেকে একজনকে উদ্ধারও করা হয়।

নোয়াখালীতে জামায়াতের ওপর হামলার ঘটনাটি ঠিক

নোয়াখালীর সেনবাগে জামায়াত নেতার ওপর ছাত্রদল কর্মীদের অতর্কিত হামলার অভিযোগ করা হয় জামায়াতের ফেসবুক পেজের এক পোস্ট থেকে।

বিষয়টি নিয়ে প্রথম আলোর নোয়াখালী প্রতিনিধি জানান, সেনবাগ উপজেলার অন্তত তিনটি স্থানে জামায়াত কর্মীদের ওপর ছাত্রদলের হামলার ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে গতকাল শুক্রবার সকালে সেনবাগ পৌরসভার বিন্নাগনি গ্রামের বাসিন্দা জামায়াত কর্মী জসিম উদ্দিনকে (৬০) কিল-ঘুষি দিয়ে রক্তাক্ত করেন উপজেলা ছাত্রদলের এক নেতা।

গতকাল দুপুরে জুমার আগে ডমরুয়া ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারি ও স্থানীয় মসজিদের খতিব আবদুল হালিমসহ (৫০) তাঁর ছেলেদের ওপর হামলা চালান ছাত্রদলের স্থানীয় কর্মীরা। ওই ঘটনায় পাঁচজন আহত হয়েছেন।

এ ছাড়া আজ শনিবার সকালে বীজবাগ ইউনিয়নের শ্যামের গাঁও গ্রামে জামায়াত কর্মী আবদুল্লাহ (৩০) নাক ফাটিয়ে দেন স্থানীয় ছাত্রদলের কর্মীরা। তাঁকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

পাশাপাশি উপজেলার একটি স্থানে জামায়াত কর্মীদের দুটি বাড়িতে ইট ছোড়ার ঘটনাও ঘটে।

গোপালগঞ্জ–সুনামগঞ্জে জামায়াতের ওপর হামলার সত্যতা মেলেনি

জামায়াতের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজের এক পোস্টে দাবি করা হয় ‘গোপালগঞ্জে বিএনপি নেতার নেতৃত্বে জামায়াত নেতার বাড়িতে হামলা’ হয়েছে ।

বিষয়টির সত্যতা জানতে প্রথম আলোর গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি খোঁজ করেন। তিনি জানিয়েছেন গোপালগঞ্জে এমন কোনো ঘটনার তথ্য পাওয়া যায়নি।

সুনামগঞ্জেও একইভাবে খোঁজ নিয়ে ‘সুনামগঞ্জের দিরাই পৌর শহরে জামায়াত নেতার ওপর শারীরিক আক্রমণ’ দাবি করে করা পোস্টেরও সত্যতা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

আরও পড়ুন