default-image

আদালত বলেন, নবজাতকের চিকিৎসা চালিয়ে যেতে হবে। একইসঙ্গে নবজাতকের দেখভাল ও তদারকির জন্য একটি কমিটি গঠন করতে সমাজকল্যাণ সচিবকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। নবজাতকের কল্যাণে নেওয়া পদক্ষেপ জানিয়ে তিন মাসের মধ্যে আদালতে প্রতিবেদনও দিতে বলা হয়েছে।

১৬ জুলাই ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলায় ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক পারাপারের সময় ট্রাকচাপায় এক দম্পতি ও তাঁদের ছয় বছরের মেয়ে নিহত হয়। মৃত্যুর আগমুহূর্তে অন্তঃসত্ত্বা মা সড়কেই ওই মেয়ে নবজাতকের জন্ম দেন। উপজেলার কোর্ট ভবন এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

এ অবস্থায় গতকাল সোমবার ওই নবজাতকের পর্যাপ্ত ক্ষতিপূরণ ও কল্যাণ নিশ্চিতে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা চেয়ে আইনজীবী কানিজ ফাতিমা তুনাজ্জিনা রিটটি করেন।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী সৈয়দ মাহসিব হোসেন। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল প্রতিকার চাকমা, সঙ্গে ছিলেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ রেজাউল হক ও মোহাম্মদ আব্বাস উদ্দিন।

পরে আইনজীবী সৈয়দ মাহসিব হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, ‘নবজাতকের খরচা হিসেবে তার আইনগত অভিভাবককে আপাতত ৫ লাখ টাকা দিতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। নবজাতকের আইনগত অভিভাবককে পর্যাপ্ত ক্ষতিপূরণ দিতে ট্রাস্টি বোর্ডকে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়েছে রুলে।’

মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব, সমাজ কল্যাণ সচিব, সড়ক পরিবহন সচিব, বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি, সড়ক পরিবহন আইনের ৫৪ ধারায় গঠিত ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান ও ট্রাক মালিককে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে বলে জানান সৈয়দ মাহসিব হোসেন।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন