এবারে অনুষ্ঠানে ফার্মা অলিম্পিয়াড, ফার্মা ডিবেট, সারা দেশের অংশগ্রহণকারীদের নিয়ে পোস্টার প্রদর্শনী এবং নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের স্টল প্রদর্শনীর মাধ্যমে উদ্ভাবনী ধারণা প্রদর্শন করা হয়। পাশাপাশি বিনা মূল্যে রক্তচাপ ও রক্তে শর্করা পরীক্ষা এবং রক্তদান কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ-উপাচার্য মো. ইসমাইল হোসেন বলেন, ওষুধ বিভাগ বাংলাদেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। দেশে ওষুধের চাহিদা প্রতিবছর বাড়ছে। কারণ, একদিকে যেমন এ দেশের মানুষের আয় বাড়ছে, তেমনি মানুষের মধ্যে রোগ ও রোগপ্রতিরোধের ব্যাপারে সচেতনতা বাড়ছে। এর ফলে ওষুধের রপ্তানিও দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। এগুলো ফার্মাসিউটিক্যাল খাতে দ্রুত বিকাশে অবদান রাখছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ ইউসুফ। তিনি বলেন, ফার্মাসিস্টদের ছাড়া একটি কার্যকর স্বাস্থ্যসেবার ব্যবস্থা কোনোভাবেই সম্ভব নয়। ওষুধ খাত বর্তমানে দেশের সর্বোচ্চ উন্নত উৎপাদন খাত। করোনা মহামারির সময় এ দেশের ফার্মাসিস্টরা শুধু যে দেশে জীবন রক্ষাকারী পথ্য সরবরাহ করেছেন তা নয়, বরং দেশের বাইরেও অত্যন্ত দ্রুততম সময়ে রপ্তানিতে ভূমিকা রেখেছেন।

এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব হেলথ অ্যান্ড লাইফ সায়েন্সের ডিন হাসান মাহমুদ রেজা বলেন, ফার্মাফেস্ট নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সেরা অনুষ্ঠানগুলোর মধ্যে একটি। শুধু ফার্মেসি অনুষদের শিক্ষার্থীরা নন, সব অনুষদের ছাত্রছাত্রীরাই এই অনুষ্ঠান ব্যাপকভাবে উপভোগ করেন।

মাহমুদ রেজা আরও বলেন, থাইল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট্র, ইন্দোনেশিয়ায় ওষুধের দোকানগুলো রেজিস্টার্ড ফার্মাসিস্টদের দিয়ে পরিচালিত হয়। বাংলাদেশের ওষুধের বাজারগুলোয় ফার্মাসিস্টদের নিয়ন্ত্রণ কম। তাই ফার্মাসিস্টদের ওষুধের বাজার ভালোভাবে পর্যবেক্ষণ করতে হবে। আর খেয়াল রাখতে হবে, অননুমোদিত কেউ যাতে বাজার পরিচালনা করতে না পারে।