স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে পাঠানো চিঠিতে বলা হয়, সহকর্মীকে যৌন হয়রানির অভিযোগের ঘটনায় চমেক চিকিৎসকদের মধ্যে চরম অসন্তোষ ও উত্তেজনা বিরাজ করছে। এমন পরিস্থিতিতে জরুরি ভিত্তিতে অভিযুক্ত চিকিৎসককে চট্টগ্রাম বিভাগের বাইরে বদলিপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ করা হলো।

এ বিষয়ে অধ্যক্ষ সাহেনা আক্তার প্রথম আলোকে বলেন, ‘এটা বাইরের ঘটনা। এ নিয়ে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়েছেন ওই চিকিৎসক। আমরা বদলি করতে পারি না। এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেবেন মহাপরিচালক।’

অভিযুক্ত ওই চিকিৎসক প্রথম আলোকে বলেন, ‘এটা ভিত্তিহীন অভিযোগ। এই অভিযোগ নিয়ে আপার (অধ্যক্ষের) কাছে যাওয়া হয়েছিল। কিন্তু যিনি অভিযোগ করেছেন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে করেছেন। এ ধরনের কোনো ঘটনা ঘটেনি।’

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন