উইন্ডফ্লাওয়ার: শেল্টেক্–এর কন্ডোমিনিয়াম প্রকল্পে জীবনের বর্ণিল আয়োজন
ঢাকাতেই জন্ম ও বেড়ে ওঠা ফারিয়া-প্রীতম দম্পতির। পেশাগত ব্যস্ততা, পরিবারের দায়িত্ব আর শহুরে জীবনের মাঝেও তাঁরা স্বপ্ন দেখেন সাধ্যের মধ্যে ঢাকায় খোলামেলা আর ছিমছাম একটি অ্যাপার্টমেন্টের। অফিস শেষে বাসায় ফিরে দুই বছরের প্রাণচঞ্চল সন্তানের দিকে তাকিয়ে তাঁদের মনে প্রশ্ন জাগে, সন্তানকে সুন্দর স্মৃতিময় একটা শৈশব দিতে পারবে তো?
একদিন ফেসবুক স্ক্রল করার সময় ফারিয়ার চোখে পড়ে একটি বিজ্ঞাপন। আধুনিক নকশার দুটি দশতলা ভবন, পাশে সবুজের ছোঁয়া আর মাঝখানে খোলা জায়গা। শেল্টেক্-এর লেটেস্ট কন্ডোমিনিয়াম প্রকল্প। বিজ্ঞাপনে ক্লিক করেই তিনি দেখেন প্রকল্পের বিস্তারিত বিবরণ, নকশা, কমিউনিটি কেমন হবে, কী কী সুবিধা থাকবে ইত্যাদি। সবকিছুই যেন মিলে যাচ্ছিল তাঁদের দুজনের স্বপ্নের সঙ্গে। প্রীতমকে বিজ্ঞাপনটা দেখাতেই তাঁর প্রশ্ন, এই প্রকল্পকে কন্ডোমিনিয়াম কেন বলা হচ্ছে? কন্ডোমিনিয়াম কী?
কন্ডোমিনিয়াম ধারণা
কন্ডোমিনিয়াম হলো এমন একটি ভবন যেখানে প্রকল্পে থাকা সব ইউনিটের মালিকদের মধ্যে অ্যাপার্টমেন্টের মালিকানার পাশাপাশি কমন স্পেসগুলোর মালিকানা যৌথভাবে থাকে। কন্ডোমিনিয়ামে থাকে বিভিন্ন ধরনের সুযোগ-সুবিধা যেমন শিশুদের খেলার মাঠ, সুইমিংপুল, ওয়াকিং ট্র্যাক, কমিউনিটি স্পেস, প্রার্থনার স্থান ইত্যাদি। বিশ্বের বহু দেশে কন্ডোমিনিয়ামের প্রচলন রয়েছে। গত কয়েক বছরে বাংলাদেশেও এর জনপ্রিয়তা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
রাজধানীর মিরপুরে ২০১৮ সালে ‘শেল্টেক্ বিথীকা’ নামে একটি কন্ডোমিনিয়াম প্রকল্প গড়ে তোলে শেল্টেক্। তারই ধারাবাহিকতায় প্রায় চার দশকের অভিজ্ঞতা নিয়ে শেল্টেক্ দক্ষতার সঙ্গে নির্মাণ করছে ‘শেল্টেক্ উইন্ডফ্লাওয়ার’, যা হবে আন্তর্জাতিক মানের এক আধুনিক কন্ডোমিনিয়াম প্রকল্প।
কেন পছন্দ হলো শেল্টেক্ উইন্ডফ্লাওয়ার?
ফারিয়া ও প্রীতমের শেল্টেক্ উইন্ডফ্লাওয়ার পছন্দ হওয়ার অন্যতম কারণ হলো কমিউনিটিকেন্দ্রিক আবাসন ব্যবস্থা। মোহাম্মদপুরের প্রাণকেন্দ্রে বায়তুল আমান হাউজিং সোসাইটিতে প্রায় ৮১ কাঠা জায়গাজুড়ে গড়ে উঠছে এই প্রকল্পটি। ১০ তলা বিশিষ্ট দুটি টাওয়ারকে যুক্ত করে রাখা হবে এমনভাবে, যাতে পুরো প্রকল্পটি একটি কমিউনিটি হিসেবে গড়ে ওঠে এবং বাসিন্দারা তাদের ব্যক্তিগত পরিসরও বজায় রাখতে পারেন নিশ্চিন্তে।
এই প্রকল্পের ডিজাইন করেছে দেশসেরা আর্কিটেক্ট কনসালটেন্সি ফার্ম ‘বিন্যাস’। রাজউক এবং বিএনবিসির সব নিয়ম মেনে গড়ে উঠছে প্রকল্পটি। এই প্রকল্পে থাকছে ১ হাজার ৪৪০ স্কয়ার ফিট আয়তনের মোট ১৯২টি অ্যাপার্টমেন্ট। প্রতিটি অ্যাপার্টমেন্টে রয়েছে তিনটি বেডরুম, প্রশস্ত বারান্দা, খোলামেলা লিভিং ও ডাইনিং স্পেস এবং তিনটি বাথরুম (হুইলচেয়ার ব্যবহারকারীবান্ধব)। প্রতিটি ফ্লোরে থাকছে মোট ২৪টি ইউনিট। প্রশস্ত, খোলামেলা আর প্রাকৃতিক আলো-বাতাসে ভরা এই প্রজেক্টের অ্যাপার্টমেন্টে থাকাটা হবে স্বাস্থ্যসম্মত।
অনন্য জীবনধারার সব আয়োজন
শুরু থেকেই ফারিয়া ও প্রীতম অ্যাপার্টমেন্টের সঙ্গে খোঁজ করছিলেন আধুনিক জীবনব্যবস্থার পরিপূর্ণ আয়োজন। তাঁদের বারবার এটাই মনে হচ্ছিল, ‘শেল্টেক্ উইন্ডফ্লাওয়ার’ প্রজেক্টটি যেন তাঁদের স্বপ্নেরই প্রতিচ্ছবি। ফারিয়ার কাছে সবচেয়ে ভালো লেগেছে দুই বিল্ডিংয়ের মাঝে সবুজে ঘেরা শিশুদের খেলার জায়গা। তার সঙ্গে কন্ডোমিনিয়ামের ভেতরেই রয়েছে সুইমিংপুল, যা সচরাচর দেখা যায় না। সেখানে আরও থাকবে বসার জায়গাসহ সুসজ্জিত ছাদবাগান। বিকেলে ছাদে গিয়ে এক কাপ কফির সঙ্গে সূর্যাস্তটা উপভোগ করা যাবে।
আর স্বাস্থ্যসচেতন প্রীতমের নজরে আসে ওয়াকিং ট্র্যাক, যেখানে নিশ্চিন্তে ও নির্ঝঞ্ঝাটভাবে হাঁটা যাবে। সেই সঙ্গে স্বাস্থ্যসচেতন বাসিন্দাদের জন্য জিমনেশিয়াম তো থাকছেই। আরও রয়েছে ১৯২টি অ্যাপার্টমেন্টের জন্য ১৯২টি পার্কিং স্পেস, ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড লিফট ব্যবস্থা, অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা, জরুরি বহির্গমনের চারটি পথ, যা সব ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করে। রিসিপশন রুম, কমিউনিটি হল, নামাজের জায়গা, কনভিনিয়েন্সশপ ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা।
হাতের নাগালে সব সুবিধা
শেল্টেক্ উইন্ডফ্লাওয়ার মোহাম্মদপুরের এমন এক জায়গায় অবস্থিত, যেখানে সব ধরনের প্রয়োজনীয় সুবিধা হাতের নাগালে পাওয়া যায়। আশপাশে রয়েছে আধুনিক শপিং মল যেমন শ্যামলী স্কয়ার, টোকিও স্কয়ার। রিংরোডে রয়েছে প্রায় সব আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডের শোরুম, আরামদায়ক ক্যাফে, রেস্টুরেন্ট এবং বিনোদনের সুযোগ।
শিক্ষার ক্ষেত্রেও এই এলাকায় রয়েছে বেশ কিছু স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান। মোহাম্মদপুর প্রিপারেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ঢাকা রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, মোহাম্মদপুর সরকারি কলেজ, মাস্টারমাইন্ড, অ্যাকাডেমিয়া এবং মোহাম্মদপুর মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ ইত্যাদি।
স্বাস্থ্যসেবার জন্য এই লোকেশনের খুব কাছেই রয়েছে বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতাল, ঢাকা সেন্ট্রাল ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের মতো নির্ভরযোগ্য হাসপাতালসমূহ। অফিস, আদালত ও সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোও খুব কাছাকাছি হওয়ায় কর্মজীবী এবং ব্যবসায়ীদের জন্য যাতায়াতও খুব সহজ। বাস, সিএনজি, রাইড শেয়ারিং সুবিধা সহজলভ্য হওয়ায় যেকোনো সময় শহরের যেকোনো প্রান্তে পৌঁছানো সম্ভব। এই লোকেশন থেকে ধানমন্ডি পর্যন্ত গাড়িতে কয়েক মিনিট সময় লাগে, যেখানে রয়েছে দেশের শীর্ষস্থানীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, ক্যাফে ও শপিং সেন্টার।
জীবনের নতুন অধ্যায়
শেল্টেক্ উইন্ডফ্লাওয়ারের নির্মাণকাজ শেষ হবে ২০২৮ সালের মার্চে। সেই সময় ফারিয়া ও প্রীতম দম্পতির জীবনে শুরু হবে এক নতুন স্বপ্নযাত্রা। এই প্রকল্পের লক্ষ্য শুধু আবাসন তৈরি নয়, বরং একটি অনন্য জীবনধারা উপহার দেওয়া। শেল্টেক্ কর্তৃপক্ষ বিশ্বাস করে, এখানে আধুনিকতা, নিরাপত্তা, খোলা পরিবেশ আর কমিউনিটি আবহ মিলেমিশে এক স্বপ্নের ঠিকানা তৈরি করবে। স্থাপত্যশৈলী, সুবিধাজনক অবস্থান এবং পরিকল্পিত নকশার সমন্বয়ে গড়া এই প্রকল্পটি সবদিক থেকেই একটি পূর্ণাঙ্গ আধুনিক কন্ডোমিনিয়াম প্রজেক্ট।
আদাবরে শেল্টেক্-এর কন্ডোমিনিয়াম প্রকল্প উইন্ডফ্লাওয়ারে আপনার স্বপ্নের অ্যাপার্টমেন্ট বুকিং দিতে আজই যোগাযোগ করুন হটলাইন ১৬৫৫০ নম্বরে অথবা ভিজিট করুন https://sheltech-bd.com/