ভবিষ্যৎ উদ্যোক্তাদের উদ্দেশে ক্রিস বারি বলেন, ‘কঠোর পরিশ্রম করতে হবে ও সাহসী হতে হবে। প্রযুক্তি নিজে থেকে কোনো সমস্যার সমাধান করতে পারে না। প্রযুক্তিকে সমস্যা সমাধানের উপযোগী করে তৈরি করতে হয়। সেটাই উদ্যোক্তাদের ইনোভেশন।’

সভাপতির বক্তব্যে ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য মেসবাহ কামাল শিক্ষক–শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, ‘প্রযুক্তি আমাদের জীবনকে নতুনভাবে ঢেলে সাজাবে। নতুনভাবে সাজানো এই জীবনের সমস্যা সমাধানের জন্য প্রযুক্তি ব্যবস্থাপক ও উদ্যোক্তাদের অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে। এ কারণেই বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি এর শিক্ষা কার্যক্রমের সঙ্গে নতুন প্রযুক্তির উদ্ভাবন ও ব্যবস্থাপনার সমন্বয় সাধনে সব সময় সচেষ্ট আছে।’

কর্মশালার দ্বিতীয় অংশে প্রশ্নোত্তর পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে অতিথিরা ছাড়াও বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটির বিভিন্ন বিভাগের প্রধান, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটির ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক রুবাইয়াত সাইমুম চৌধুরীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচালক কাজী তাইফ সাদাত, সিএসই বিভাগের প্রধান মো. সাদিক ইকবাল প্রমুখ।