ফ্রিল্যান্সিং খাত নিয়ে প্রথম আলোয় প্রকাশিত খবরের প্রতিবাদ বিটোপিয়ার

বিটোপিয়া গ্রুপের লোগোছবি: স্ক্রিনশট

‘ফাইভআরে বিটোপিয়ার অ্যাকাউন্ট কারসাজিতে সংকটে দেশের ফ্রিল্যান্সিং খাত’ শিরোনামে প্রথম আলো অনলাইনে ২৪ সেপ্টেম্বর একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়। এ সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছে বিটোপিয়া গ্রুপ। প্রতিবাদে বলা হয়েছে, এই সংবাদে বিটোপিয়া গ্রুপ ও এর প্রধান নির্বাহী সম্পর্কে যেসব অভিযোগ উত্থাপন করা হয়েছে, তা অনুমাননির্ভর এবং সত্য নয়।

প্রতিবাদে বিটোপিয়া গ্রুপ জানিয়েছে, প্রথম আলোয় প্রকাশিত এই প্রতিবেদনে অনুমাননির্ভর তথ্য ব্যবহার করা হয়েছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, কর্মীদের মূল পাসপোর্ট বা জাতীয় পরিচয়পত্র জব্দ করা হয়, যা সম্পূর্ণ মিথ্যা। কোনো কর্মীর মূল পরিচয়পত্র প্রতিষ্ঠানে জমা রাখা হয় না, কেবল যাচাইয়ের জন্য ফটোকপি সংরক্ষণ করা হয়। কোনো কর্মীর অজ্ঞাতসারে তাঁর পরিচয় ব্যবহার করে অ্যাকাউন্ট খোলা হয়নি। প্রতিটি ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্মীর লিখিত সম্মতি নেওয়া হয়েছে।

প্ল্যাটফর্মভিত্তিক কার্যক্রম মূলত পরিচালিত হয়েছে প্রতিষ্ঠানের নামে নিবন্ধিত এজেন্সি প্রোফাইলের মাধ্যমে, যা সংশ্লিষ্ট প্ল্যাটফর্মের নিজস্ব এজেন্সি নীতিমালা অনুসারে গঠিত ও পরিচালিত বলেও প্রতিবাদে উল্লেখ করেছে বিটোপিয়া। তারা বলেছে, প্রতিযোগীদের ক্ষতি করতে ভুয়া অ্যাকাউন্ট থেকে অর্ডার, পরিকল্পিত রিফান্ড বা নেতিবাচক রিভিউ প্রদান—এ ধরনের কোনো কার্যক্রম তাদের প্রতিষ্ঠানে কস্মিনকালেও অনুমোদিত নয় এবং ইতিপূর্বে কখনো পরিচালিত হয়নি।

বিটোপিয়া বলেছে, তারা কর্মিবান্ধব প্রতিষ্ঠান, যেখানে নতুন ও তরুণ পেশাজীবীদের কাজের সুযোগ তৈরি করা হয়। কোনো কর্মীকে কক্ষে আটকে রেখে শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ সম্পূর্ণ অসত্য।

প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে কোনো ফ্রিল্যান্সারের বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক বা মিথ্যা কোনো মামলা বা অভিযোগ করা হয়নি বলে উল্লেখ করেছে বিটোপিয়া। তারা বলেছে, মিথ্যা মামলা দিয়ে কাউকে হয়রানি বা জেলে পাঠানোর অভিযোগ সম্পূর্ণ অসত্য ও ভিত্তিহীন। উত্থাপিত প্রতিটি বিষয়ে নথিভিত্তিক তথ্য সংরক্ষিত রয়েছে এবং যেকোনো নিয়ন্ত্রক বা তদন্তকারী কর্তৃপক্ষের কাছে তা উপস্থাপনে বিটোপিয়া গ্রুপ প্রস্তুত।