গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন পুলিশের সোর্স হুমায়ুন কবির, তাঁর সহযোগী সোনা মিয়া, মো. রফিকুজ্জামান, নজরুল ইসলাম, মো. রায়হান ও আবদুল কাদের। গতকাল সোমবার রাতে নগরের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশ।

এর আগে ২১ জানুয়ারি নগরের কর্ণফুলী থানার সিডিএ আবাসিক এলাকার সড়কের পাশ থেকে পুলিশের সোর্স মো. কায়েসের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এই ঘটনায় কর্ণফুলী থানায় অজ্ঞাতপরিচয় আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়।

নগর ডিবির উপকমিশনার (বন্দর–পশ্চিম) মো. আলী হোসেন আজ প্রথম আলোকে বলেন, গ্রেপ্তার আসামিরা এক লাখ টাকার বিনিময়ে কায়েসকে খুন করার কথা স্বীকার করেছেন। তাঁরা গ্রেপ্তার আসামি হুমায়ুন কবিরের নির্দেশে এটি করেছিলেন।

ডিবির এই কর্মকর্তা জানান, ছয় মাস আগে হুমায়ুন ও কায়েস রাঙামাটিতে এক মাদক ব্যবসায়ীর সঙ্গে দেখা করেন। ওই ব্যবসায়ীর কাছে মাদকসংক্রান্ত তথ্য নিতে গিয়েছিলেন তাঁরা। কিছুদিন পর হুমায়ুন রাঙামাটিতে যান। সেখানে মাদক ব্যবসায়ীরা তাঁকে মারধর করেন। কারণ হিসেবে জানতে পারেন, কায়েস তাঁর পরিচয় রাঙামাটির মাদক ব্যবসায়ীর কাছে জানিয়ে দিয়েছিলেন।

এতে ক্ষিপ্ত হয়ে হুমায়ুন কায়েসকে খুন করার পরিকল্পনা করেন বলে জানান পুলিশ কর্মকর্তা আলী হোসেন। তিনি বলেন, কায়েসকে খুন করার জন্য এক লাখ টাকা দিয়ে লোক ঠিক করেন হুমায়ুন। এরপর পরিকল্পনা অনুযায়ী ২১ জানুয়ারি তাঁকে নগরের কর্ণফুলী মইজ্জারটেক এলাকায় ডেকে নিয়ে যান। সেখানে তাঁকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করে হুমায়ুনসহ জড়িতরা পালিয়ে যান।