গত বছরের ১২ এপ্রিলে দেশে প্রথমবারের মতো এলপিজির দাম নির্ধারণ করে বিইআরসি। এর পর থেকে প্রতি মাসে দাম সমন্বয় করা হচ্ছে।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আবদুল জলিল বলেন, ১৮টি কোম্পানির আমদানির ঋণপত্র দেখে ডলারের বিপরীতে টাকার বিনিময় হারের গড় হিসাব করা হয়। এতে আগের মাসের চেয়ে ডলারের বিপরীতে টাকার মান প্রতি ডলারে ৩৯ পয়সা কমেছে।

বিইআরসি জানায়, সরকারি এলপিজির দাম অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। বেসরকারি খাতে ভোক্তাপর্যায়ে প্রতি কেজি এলপিজির নতুন দাম ১০৪ টাকা ২৬ পয়সা। এ হিসাবে বিভিন্ন পরিমাণের এলপিজি সিলিন্ডারের দাম নির্ধারিত হবে। এ ছাড়া গাড়িতে ব্যবহৃত এলপিজির (অটো গ্যাস) নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে প্রতি লিটার ৫৮ টাকা ২৮ পয়সা, যা আগে ছিল ৫৫ টাকা ৯২ পয়সা।

জানা গেছে, এলপিজি তৈরির মূল উপাদান প্রোপেন ও বিউটেন বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানি করা হয়। প্রতি মাসে এলপিজির এ দুই উপাদানের মূল্য প্রকাশ করে সৌদি আরবের প্রতিষ্ঠান আরামকো। এটি সৌদি কার্গো মূল্য (সিপি) নামে পরিচিত। এ সৌদি সিপিকে ভিত্তিমূল্য ধরে দেশে এলপিজির দাম সমন্বয় করে বিইআরসি।

দাম ঘোষণার সময় আরও উপস্থিত ছিলেন বিইআরসির সদস্য আ ব ম ফারুক, মোহাম্মদ বজলুর রহমান ও মো. কামরুজ্জামান প্রমুখ।