এআইয়ের মাধ্যমে কাল্পনিক বিষয় তৈরি করে দেশে অস্থিতিশীলতা তৈরির চেষ্টা চলছে: শিক্ষামন্ত্রী
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহারের মাধ্যমে কাল্পনিক বিষয় তৈরি করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের সাহায্যে দেশে একটি পক্ষ অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির অপচেষ্টা চালাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেন, এসব করে কোনো লাভ হবে না। বাংলাদেশ তারেক রহমানের নেতৃত্বে এগিয়ে যাবে।
প্রযুক্তির ইতিবাচক ব্যবহারের ওপর জোর দিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বর্তমান বিশ্বে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ন্যানোটেকনোলজি ও রোবোটিকসসহ আধুনিক প্রযুক্তির ব্যাপক প্রসার ঘটছে। শিক্ষার্থীদের এসব বিষয়ে দক্ষ করে তুলতে দেশের শিক্ষাব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তন প্রয়োজন।
আজ বুধবার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল আয়োজিত নবীনবরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিক্ষামন্ত্রী এ কথা বলেন।
কারিগরি শিক্ষার আধুনিকায়ন প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী জানান, কারিগরি শিক্ষায় পরিবর্তন আনার লক্ষ্যে তিনি সম্প্রতি চীন সফর করেন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পরামর্শেই তিনি চীনের মডেল দেখতে গিয়েছিলেন। সেখানে শিল্পের সঙ্গে কারিগরি শিক্ষাব্যবস্থার যে কার্যকর সমন্বয় ঘটানো হয়েছে, তা বাংলাদেশের জন্য শিক্ষণীয় হতে পারে। লেখাপড়ার পাশাপাশি প্রযুক্তি, ভাষা ও উদ্ভাবনী কার্যক্রমে দক্ষতা অর্জনের আহ্বান জানান শিক্ষামন্ত্রী।
অতীতে শিক্ষার প্রসারে নেওয়া পদক্ষেপগুলোর কথা স্মরণ করে এহছানুল হক মিলন বলেন, ‘শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময়ে আমরা দেখেছি, তিনি শিক্ষাকে কতটা গুরুত্ব দিতেন। জাতিকে শিক্ষিত করার জন্য তিনি যে উদ্যোগ নিয়েছিলেন, তার অনেক কিছুই আজও আমরা পুরোপুরি বাস্তবায়ন করতে পারিনি।’
অন্যদিকে নারীশিক্ষার প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘নারীদের শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়নে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া যে কর্মসূচি গ্রহণ করেছিলেন, তা পরবর্তী সময়ে বিশ্বময় বিভিন্ন ক্ষেত্রে অনুসরণ করা হয়েছে।’
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান হিমেলের সভাপতিত্বে এবং সদস্যসচিব শামসুল আরেফিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাদারীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য আনিসুর রহমান তালুকদার খোকন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. রইছ উদ্দীন, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক সাবিনা শরমীন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক মো. মোফাজ্জল হোসেন, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক শামীমা সুলতানা এবং কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সভাপতি মো. রাকিবুল ইসলাম রাকিব।