‘বাংলাদেশে রেডি মিক্স কংক্রিট: চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা’ শীর্ষক সেমিনার
দেশের নির্মাণ খাতে রেডি মিক্স কংক্রিটের বর্তমান অবস্থা ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা নিয়ে ‘বাংলাদেশে রেডি মিক্স কংক্রিট: চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা’ শীর্ষক সেমিনার আয়োজন করেছে ক্রাউন সিমেন্ট। গত শনিবার রাজধানীর লে মেরিডিয়ান হোটেলে অনুষ্ঠিত সেমিনারে দেশের খ্যাতনামা শিক্ষাবিদ, শিল্পবিশেষজ্ঞ ও পেশাজীবীরা অংশ নেন।
সেমিনারে জাতীয় অবকাঠামো উন্নয়নে মানসম্মত নির্মাণ, টেকসই উন্নয়ন এবং দক্ষতা বৃদ্ধিতে রেডি মিক্স কংক্রিটের ক্রমবর্ধমান গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করা হয়। আলোচনায় প্রযুক্তিগত অগ্রগতি, নিয়ন্ত্রক কাঠামো, গুণগত মান নিয়ন্ত্রণ এবং উদ্ভাবনের মাধ্যমে শিল্পখাতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন আলোচকেরা।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ এম শামিম জেড বসুনিয়া। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজির সিভিল অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের মো. তারেক উদ্দিন। সঞ্চালনা করেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের রাকিব আহসান।
মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনায় অধ্যাপক মো. তারেক উদ্দিন আধুনিক নির্মাণে রেডি মিক্স কংক্রিটের অপরিহার্য ভূমিকা তুলে ধরেন। তিনি কারিগরি মানদণ্ড বজায় রাখা, গুণগত মান নিয়ন্ত্রণ, দক্ষ জনবল সংকট ও মানদণ্ড প্রণয়ন সংক্রান্ত চ্যালেঞ্জগুলো উল্লেখ করেন এবং আন্তর্জাতিক মান ও উদ্ভাবনের মাধ্যমে টেকসই প্রবৃদ্ধির সম্ভাবনার দিকনির্দেশনা দেন।
এম শামিম জেড বসুনিয়া বাংলাদেশের অবকাঠামো উন্নয়নকে আরও শক্তিশালী ও ভবিষ্যৎ-উপযোগী করতে শিক্ষা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান এবং শিল্পখাতের মধ্যে কার্যকর সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
সেমিনারে ক্রাউন সিমেন্ট তাদের অগ্রযাত্রার বিভিন্ন দিক তুলে ধরে। দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে সিমেন্ট রপ্তানিতে নেতৃত্ব দেওয়া ক্রাউন সিমেন্ট এখন পর্যন্ত একমাত্র বাংলাদেশী সিমেন্ট কোম্পানি হিসেবে তিনবার জাতীয় রপ্তানি ট্রফি অর্জন করেছে। ২০১৩ সালে ক্রাউন সিমেন্ট কংক্রিট অ্যান্ড বিল্ডিং প্রোডাক্টস লিমিটেড প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে কোম্পানিটির সম্প্রসারণ উদ্যোগ গ্রহণ করে, যা দেশের রেডি মিক্স কংক্রিট খাতে একটি গুরুত্বপূর্ণ অবদানকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে।
বিশ্বব্যাপী সবুজ নির্মাণ ধারার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ক্রাউন সিমেন্ট সম্প্রতি ক্রাউন সিমেন্ট কংক্রিট ব্লক চালু করেছে, যা প্রচলিত পোড়ামাটির ইটের পরিবেশবান্ধব বিকল্প।