মাহবুব হোসেন বলেন, আয়কর–সংক্রান্ত মূল আইনটি ১৯২২ সালের। পরে ১৯৮৪ সালে এটি অধ্যাদেশ আকারে সংশোধন করা হয়। এটি ইংরেজিতে আছে। এখন সেটি সহজ করে বাংলায় করা হয়েছে। এতে কিছু সংযোজন–বিয়োজন করা হয়েছে। এতে কর কর্মকর্তাদের স্বেচ্ছাক্ষমতা সীমিত করা হয়েছে। আগে অন্তত ২০টি ক্ষেত্রে কর্মকর্তারা যেভাবে যৌক্তিক মনে করতেন, সেভাবে নির্ধারণ করতে পারতেন। এখন আর সেটি হবে না। এখন একটি গাণিতিক পদ্ধতি (ফর্মুলা) দেওয়া হয়েছে। এই পদ্ধতি অনুযায়ী নির্ধারণ করতে হবে। তাই কর্মকর্তারা ইচ্ছা করলেই আয়কর বাড়াতে বা কমাতে পারবেন না।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, এ ছাড়া রিটার্ন দাখিলের পদ্ধতি বা যেসব কাগজ জমা দিতে হয়, বিশেষ করে ব্যবসায়ীদের ক্ষেত্রে, সেগুলো সংস্কার করা হয়েছে। আর আয়কর পদ্ধতি যে আইসিটিনির্ভর করা হচ্ছে, সেটিকে প্রাতিষ্ঠানিক করার চেষ্টা হয়েছে।

তখন সাংবাদিকেরা জানতে চেয়েছিলেন, ব্যবসায়ীদের কাগজপত্র সহজ করার বিষয়টি যদি পরিষ্কার করতেন। জবাবে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, বিদ্যমান আইনে কেবল উৎসে কর কর্তন–সম্পর্কিত ২৯টি রিটার্ন ও বিবরণী (কাগজপত্র) দাখিলের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। সেটি কমিয়ে প্রস্তাবিত আইনে ১২টি করা হয়েছে। অর্ধেকের বেশি কমানো হয়েছে।

এটুআইয়ের কার্যক্রম চলবে এজেন্সির মাধ্যমে

মন্ত্রিসভার বৈঠকে এজেন্সি টু ইনোভেট (এটুআই) আইনের খসড়াও চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। এই আইন সংসদে পাস হলে তথ্যপ্রযুক্তিবিষয়ক সহায়তা কার্যক্রম প্রকল্পের পরিবর্তে এজেন্সির মাধ্যমে চলবে। এটুআই হবে একটি সংবিধিবদ্ধ সংস্থা, অনেকখানিই স্বশাসিত হবে।