প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে ‘গ্রামীণ বাংলাদেশে সামাজিক মূলধনের প্রভাব পরীক্ষা’ শীর্ষক গবেষণা প্রকল্পের উদ্বোধনী কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে
ছবি: সংগৃহীত

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে ‘গ্রামীণ বাংলাদেশে সামাজিক মূলধনের প্রভাব পরীক্ষা’ শীর্ষক গবেষণা প্রকল্পের উদ্বোধনী কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। কর্মশালায় সরকারি কর্মকর্তা, শিক্ষা বিশেষজ্ঞ, সুশীল সংগঠন ও উন্নয়ন অংশীদারেরা সামাজিক মূলধনের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এবং গ্রামীণ বাংলাদেশে এর সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে আলোচনা করেন।

এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, কর্মশালায় অভিবাসন মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব আহমেদ মুনিরুছ সালেহীন অভিবাসনের বহুমুখী দিক তুলে ধরেন। তিনি বলেন, অভিবাসন শুধু আর্থিক লাভের জন্য নয় বরং বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রকেও অন্তর্ভুক্ত করে। তিনি অভিবাসন সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় পর্যাপ্ত সহযোগিতার অভাব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

সেন্টার ফর মাইগ্রেশন স্টাডিজের (সিএমএস) প্রচেষ্টার প্রশংসা করে আহমেদ মুনিরুছ সালেহীন বলেন, সরকারি কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন খাতের মানুষকে একত্রিত করে এই গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে ব্যাপক গবেষণায় নিয়োজিত করা হয়েছে। তিনি গবেষণা ও কর্মসূচিতে শ্রমিকদের সুরক্ষাকে অগ্রাধিকার দিয়ে তাঁদের অধিকার রক্ষার গুরুত্বের ওপর জোর দেন।

নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির সাউথ এশিয়ান ইনস্টিটিউট অব পলিসি অ্যান্ড গভর্নেন্সের (এসআইপিজি) পরিচালক এসকে তৌফিক এম হক বলেন, গবেষণার ফলাফল কার্যকর করতে একাডেমিয়া, সরকারি সংস্থা এবং সুশীল সমাজের মধ্যে সামগ্রিক সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। শ্রম অভিবাসনের ক্ষেত্রে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে এই ধরনের গবেষণার ওপর জোর দেন তিনি।

সুইস এজেন্সি ফর ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড কো-অপারেশনের (এসডিসি) প্রোগ্রাম ম্যানেজার নাজিয়া হায়দার বলেন, অভিবাসন বাংলাদেশের সমাজের অবিচ্ছেদ্য অংশ। তিনি নিরাপদ অভিবাসন অনুশীলন এবং শ্রমিকদের অধিকার রক্ষার দিকে মনোনিবেশ করার গুরুত্ব তুলে ধরেন।

এসডিসির সহায়তায় গবেষণা প্রকল্পের নেতৃত্ব দেবেন সমীক্ষা কৈরালা, হারিসুর রহমান ও এসআইপিজির সেন্টার ফর মাইগ্রেশন স্টাডিজের জালাল উদ্দিন সিকদার। মধ্যপ্রাচ্য ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর শ্রম অভিবাসীদের মধ্যে সামাজিক মূলধনের গতিশীলতা অনুসন্ধান করাই এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য।