সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এই অর্জনের জন্য এবং ‘বঙ্গবন্ধু ও তাঁর শান্তি দর্শন: আন্তর্জাতিকীকরণ ও বিশ্ব রাজনীতিতে প্রাসঙ্গিকতা’ উদ্যোগের সঙ্গে সম্পৃক্ত পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সব কর্মকর্তা-কর্মচারী, বিদেশে থাকা বাংলাদেশ মিশনসমূহে নিয়োজিত রাষ্ট্রদূত/হাই কমিশনার/মিশন প্রধানসহ সব কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অক্লান্ত পরিশ্রম ও অবদানের জন্য পররাষ্ট্রমন্ত্রী তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ ও অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বেশ কয়েকটি কার্যক্রম বাস্তবায়নের সমন্বিত ফলস্বরূপ জনপ্রশাসন পদকের জন্য চূড়ান্ত মনোনয়ন লাভ সম্ভব হয়েছে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সদর দপ্তরসহ বিদেশে সব মিশনে বঙ্গবন্ধু কর্নার স্থাপন, গণহত্যা কেন্দ্র (জেনোসাইড সেন্টার) স্থাপন, জনকূটনীতির পদক্ষেপসমূহ, বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে দশ দিনব্যাপী ‘মুজিব চিরন্তন’ অনুষ্ঠান আয়োজনে সক্রিয় অবদানসহ বেশ কয়েকটি উদ্যোগের ফলে বঙ্গবন্ধুর জীবন ও কর্ম, বাংলাদেশের নিপীড়িত মানুষের কল্যাণে বঙ্গবন্ধুর ত্যাগ-তিতিক্ষা, বাংলাদেশের নীতি ও মূল্যবোধ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী ও গতিশীল নেতৃত্বে বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন বিশ্বব্যাপী সমাদৃত হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দিক-নির্দেশনায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এই সাফল্য অর্জন সম্ভব হয়েছে উল্লেখ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর প্রতিও কৃতজ্ঞতা জানান।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন