আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদীয় আসনের সীমানা পুনর্নির্ধারণ নিয়ে নির্বাচন কমিশনে জমা হওয়া আবেদনের টানা শুনানি চলছে। আজ বুধবার সকাল ১০টা থেকে শুরু হওয়া শুনানি বেলা ১টা পর্যন্ত চলে।
এ সময় পঞ্চগড়, পাবনা, সিরাজগঞ্জ ও কুড়িগ্রামের প্রতিনিধিদের বক্তব্য শোনা হয়। এরপর বিকেল চারটা পর্যন্ত শুনানি চলবে। তখন ময়মনসিংহ, সিলেট ও ফরিদপুর জেলার প্রতিনিধিরা শুনানিতে অংশ নেবেন।
শুনানি শেষে এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশন (ইসি) সাংবাদিকদের ব্রিফ করবে।
শুনানিতে অংশ নিয়ে সিরাজগঞ্জ জেলার প্রতিনিধি আবদুল মান্নান বলেন, ‘আমাদের জেলায় ২০০১ সাল পর্যন্ত সাতটি আসন ছিল। ২০০৮ সালের জাতীয় নির্বাচনের আগে আসন ছয়টিতে নামিয়ে আনা হয়। আমাদের দাবি, আগে যেভাবে চৌহালী উপজেলা ও শাহজাদপুর উপজেলার পূর্বাঞ্চলের চারটি ইউনিয়ন মিলে একটি আসন ছিল, সেটি আবার ফিরিয়ে দেওয়া হোক। নদীভাঙন ও দুর্গম এলাকার মানুষ হিসেবে আমাদের দাবি—আগের আসন পুনর্বহাল করা হোক।’
পাবনার প্রতিনিধি নাজিব মোমেন বলেন, ‘বর্তমানে সাঁথিয়া উপজেলা ও বেড়ার চারটি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত পাবনা-১ আসন এবং বেড়া উপজেলার বাকি অংশ ও সুজানগর উপজেলা নিয়ে পাবনা-২ আসন। আমরা চাই, শুধু সাঁথিয়া উপজেলা নিয়ে হোক পাবনা-১ আসন। একই সঙ্গে বেড়া ও সুজানগর উপজেলা নিয়ে গঠিত হোক পাবনা-২ আসন। সীমানা পুনর্বিন্যাসের এ প্রস্তাব ২০১৮ সালেও ছিল, কিন্তু তখন বাস্তবায়িত হয়নি।’
শুনানিতে ইসির সামনে কুড়িগ্রাম–৪ আসন পুনর্বহাল রাখার যৌক্তিকতা তুলে ধরা হয়।
জাতীয় সংসদের আসন পুনর্নির্ধারণ নিয়ে চলমান এ শুনানিতে বিভিন্ন জেলার প্রতিনিধিরা তাঁদের দাবি ও প্রস্তাবনা তুলে ধরছেন। ইসি সূত্র জানায়, চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের আগে সব জেলার আবেদন পর্যালোচনা করা হবে এবং পরবর্তী সময় গেজেট প্রকাশ করা হবে।