৫ বছরে আরও ৩০ বিলিয়ন ডলার লাগবে: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী
জ্বালানি খাতের (গ্যাস ও তেল) বিস্তারিত মহাপরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়নে জাপান সহযোগিতা করতে পারে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। তিনি বলেন, পরিকল্পনা অনুসারে গৃহীত প্রকল্পে আগামী ৫ বছরে আরও ৩০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার লাগবে। যৌথভাবে একটি অপারেশন অ্যান্ড মেইনটেন্যান্স কোম্পানি করা যেতে পারে। এতে বাংলাদেশের অর্থ ও সময় সাশ্রয় হবে।
সচিবালয়ে আজ মঙ্গলবার বাংলাদেশে নবনিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত ইওয়ামা কিমিনরির সৌজন্য সাক্ষাতের সময় এসব কথা বলেন বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এটি জানানো হয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, স্মার্ট বাংলাদেশের জন্য স্মার্ট বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মহাপরিকল্পনা প্রয়োজন; যা সব খাতকে নেপথ্যে থেকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। বাংলাদেশ পাওয়ার ম্যানেজমেন্ট ইনস্টিটিউটকে আন্তর্জাতিক মানের একটি প্রতিষ্ঠান করার জন্য জাইকা সহযোগিতা করতে পারে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সৌজন্য সাক্ষাতের সময় তাঁরা পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। এ সময় জাপানের রাষ্ট্রদূত বলেন, জাপান বাংলাদেশের উন্নয়নে সব সময় সহযোগিতা করবে। বাংলাদেশের মানবসম্পদ উন্নয়নবিষয়ক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে জাইকা কাজ করবে। গ্যাস মিটার তৈরিতে জাপানিজ কোম্পানি অনুদার সাফল্য দেখে দেশটির আরও ছোট-বড় কোম্পানি বাংলাদেশে কাজ করতে আসবে। ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ ধারণা ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে পরিবর্তন করে উন্নত বাংলাদেশে পরিণত করবে।