সোনার জামাকাপড় পরে আসা যাত্রীর নাম মোহাম্মদ জিয়াউল হক। তাঁর বাড়ি নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের বসুরহাট পৌরসভায়। সোনার জামাকাপড় উদ্ধার করার এই অভিযানে ছিলেন জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই) এবং শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা।

সংশ্লিষ্ট একজন কর্মকর্তা প্রথম আলোকে জানান, সকালে উড়োজাহাজ থেকে নামার পর ওই যাত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। স্বীকার করার একপর্যায়ে লুঙ্গি দিয়ে একটি কক্ষে পাঠানো হয় তাঁকে। সেখানে লুঙ্গি পরে জামাকাপড় খুলে কর্মকর্তাদের কাছে তুলে দেন ওই যাত্রী।

ওই কর্মকর্তা জানান, যাত্রীর জামাকাপড় থেকে সোনা আলাদা করার জন্য দুপুরে চট্টগ্রাম শহরে হাজারীগলিতে সোনার কারখানায় নেওয়া হয়। সেখানে সনাতন পদ্ধতিতে জামাকাপড় থেকে সোনার প্রলেপ আলাদা করে পাওয়া যায় ১ কেজি ৪২৯ গ্রাম সোনা, যার বাজারমূল্য প্রায় এক কোটি টাকা।

অভিযানে জামাকাপড় ছাড়াও আলাদা করে সোনার বার ও স্বর্ণালংকার উদ্ধার করেন কর্মকর্তারা। এর মধ্যে রয়েছে ২৩৩ গ্রাম ওজনের দুটি সোনার বার এবং ১০০ গ্রাম ওজনের স্বর্ণালংকার। সব মিলিয়ে ১ কোটি ২৭ লাখ টাকার ১ কেজি ৭৬২ গ্রাম সোনা জব্দ করা হয়েছে।

কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক বশির আহমেদ প্রথম আলোকে বলেন, চোরাচালানে জড়িত থাকায় ওই যাত্রীর বিরুদ্ধে নগরের পতেঙ্গা থানায় মামলা করা হয়েছে।