সভায় বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক ওসমান আলী বলেন, ‘ভলভো পৃথিবীর সবচেয়ে দামি বাস। বিআরটিসির ভলভো বাস সাত–আট বছরের মাথায় উধাও হয়ে গেল। চার–পাঁচ বছর পরে দেখলাম, বাসের খোল পড়ে আছে, ব্রেক–ইঞ্জিন কিছুই নাই।’

এ বিষয়ে সচিব এ বি এম আমিন উল্লাহ নুরী বলেন, ‘ভলভো বাসগুলো ইজারা দেওয়া হয়েছিল। ইজারাদারেরা সেগুলোর যত্ন করেনি। নষ্ট হয়ে যাওয়ার পর তারা সেগুলো ফেলে দিয়ে চলে গেছে।’

আরও বাস কেনার প্রসঙ্গে আমিন উল্লাহ নুরী বলেন, ‘আমরা দূরপাল্লার আরও কিছু ভালো মানের বাস কিনব। সেগুলো ইজারা দেব না। এখন বাসচালক আছে। সেসব বাস কুয়াকাটাসহ বিভিন্ন রুটে চলবে।’ ভালো সেবা দিলে মানুষ লাইন ধরে সেবা নেবে বলে মনে করেন সচিব। তিনি বলেন, পর্যটন বিবেচনায় নিয়ে চট্টগ্রামসহ পার্বত্য চট্টগ্রামের জন্য ১০টি বাস কেনা যেতে পারে। কারণ, পর্যটকেরা নিরাপদ পরিবহন পায় না।

বিআরটিসির যেসব পেট্রলপাম্প ইজারা দেওয়া আছে, সেগুলো ২০২৫ সালের মধ্যে ফিরিয়ে আনা হবে বলে জানান করপোরেশনের চেয়ারম্যান মো. তাজুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘গত পরশু দিন আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, ২০২৫ সালের পর আমরা সব পেট্রলপাম্পের লিজ বাতিল করব। আমরা চিঠি দিয়ে দিচ্ছি। এ ছাড়া ইতিমধ্যে বন্ধ থাকা মতিঝিল, মিরপুর ও গাজীপুরের কয়েকটি পাম্প চালু করেছি।’

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান নুর মোহাম্মদ মজুমদার, ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক সাবিহা পারভীন, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের যুগ্ম সচিব মনীন্দ্র কিশোর মজুমদার, বিআরটিসির পরিচালক (কারিগরি) কর্নেল মো. জাহিদ হোসেন, মহাব্যবস্থাপক (হিসাব) মো. আমজাদ হোসেন, বুয়েটের সহকারী অধ্যাপক কাজী সাইফুল নেওয়াজ প্রমুখ।