default-image

আজ সোমবার গুলশানের একটি রেস্তোরাঁয় প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার, সনদ ও শুভেচ্ছা উপহার তুলে দেন সিটি গ্রুপের বিক্রয় ও বিপণন শাখার নির্বাহী পরিচালক জাফরউদ্দিন সিদ্দিকী। তিনি বলেন, ‘ফটোগ্রাফির মতো মুহূর্ত এখন সব সময়ই পাওয়া যায়। আমাদের সবার হাতে এখন ছবি তোলার ডিভাইস আছে। এক কাপ চা মানুষকে যেমন স্যাটিসফেকশন দেয়, একটি ছবিও তেমন। আমাদের আলোকচিত্রের বিষয়বস্তু ছিল ফোটিগ্রাফি বা টি-মোমেন্টস। আপনারা এত এত ছবি পাঠিয়েছেন বলে আমরা খুবই খুশি হয়েছি।’

default-image

প্রথম পুরস্কার পাওয়া ছবিতে দেখা যাচ্ছে, পায়রা সেতুর নিচে ফেরিতে বসে চা পান করছেন কয়েকজন যুবক। প্রথম পুরস্কার পাওয়া জাবের পড়াশোনা করছেন বরিশালের সরকারি সৈয়দ হাতেম আলী কলেজে। পাশাপাশি বিয়ের ফটোগ্রাফি করেন তিনি। জাবের আহমেদ বলেন, ‘নতুন একটা ক্যামেরার স্বপ্ন ছিল। সেটা পূরণ হলো। এক বন্ধুর কাছ থেকে এই প্রতিযোগিতার কথা প্রথম শুনেছিলাম। সেই ছবিটা এখানে জমা দেয়।’

দ্বিতীয় পুরস্কার পাওয়া তৌহিদ তুষার বলেন, ‘ফেসবুক থেকে প্রতিযোগিতার কথা শুনেই স্ত্রীকে নিয়ে চলে গেলাম বাসার ছাদে। সঙ্গে নিলাম এক কাপ চা। ছবিটা তুলেই জমা দিয়েছিলাম।’ তৃতীয় পুরস্কার বিজয়ী মুবিনা রহমান এসেছিলেন দুই শিশুকে নিয়ে। প্রতিযোগিতায় মায়ের পুরস্কারপ্রাপ্তিতে তারাও ভীষণ আনন্দিত।

default-image

সিটি গ্রুপের ব্র্যান্ড ম্যানেজার রুবাইয়াত আহমেদ বলেন, ‘পাঁচ হাজার ছবি থেকে ১২টি ছবি বাছাই করা যথেষ্ট কষ্টসাধ্য কাজ। তবে এই প্রতিযোগিতায় যে সাড়া পাওয়া গেছে, তাতে আমরা অভিভূত। প্রতিযোগিতার ছবিগুলো বাছাই করেছেন আলোকচিত্রী জাভেদ আকতার।’ পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ‘ভেবেছিলাম কেবল চায়ের সঙ্গে কাটানো মুহূর্তগুলো ছবি পাব। কিন্তু সেটা হয়নি। জমা পড়েছিল নানা রকম ছবি।

প্রতিযোগিতার বিষয়বস্তুর কাছাকাছি যে ছবি যেগুলো পাওয়া গেছে, আমরা সেসব ছবিই নির্বাচন করেছি। এখন প্রায় সবার হাতেই ছবি তোলার জন্য ক্যামেরা নয়তো মোবাইল আছে। আপনারা ছবি তুলুন।’

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন