খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, সম্প্রতি বেশ কিছু জায়গায় গুজব ছড়িয়ে বলা হচ্ছে, যেসব জমিতে চাষ করা হবে না, সেসব জমি নাকি খাস হয়ে যাবে। কারও জমিতে চাষ না হলে খাস করার কোনো ব্যবস্থা নেই। এটি একটি গুজব, যা চারদিকে ছড়ানো হচ্ছে। খাস করার আলাদা ব্যবস্থা আছে, সেটি অত্যন্ত জটিল ও দীর্ঘ প্রক্রিয়া।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, যদি দু-এক জায়গায় কোথাও কেউ করেও থাকে, ইতিমধ্যে নির্দেশনা দিয়ে দেওয়া হয়েছে, যাতে কেউ এ–জাতীয় কোনো উদ্যোগ না নেয়।

মন্ত্রিসভার আজকের বৈঠকে মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলোর ২০২১-২২ অর্থবছরের কার্যাবলি–সম্পর্কিত বার্ষিক প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হয়। এ প্রতিবেদন উপস্থাপনের সময় অর্থনৈতিক সংকটের আশঙ্কা নিয়েও আলোচনা হয়। আলোচনায় বলা হয়, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধসহ কয়েকটি কারণে ২০২৩ সালটি সংকটের বছর হওয়ার আশঙ্কা আছে। তাই সবাইকে প্রস্তুত থাকতে হবে। এ জন্য খাদ্যের উৎপাদন বাড়ানোসহ একগুচ্ছ পর্যবেক্ষণ ও নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও মন্ত্রিসভা।