জ্বালানি মজুত পর্যাপ্ত, আরও বাড়ানোর চেষ্টা চলছে: মন্ত্রিপরিষদ সচিব

নাসিমুল গনিফাইল ছবি

এখন পর্যন্ত দেশে জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত আছে বলে জানিয়েছে সরকার। সরকার বলছে, আগে সাধারণত ১৫ দিনের মজুত রাখা হতো। এখন তা এক মাসের মতো আছে। এই মজুত আরও বড় করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে আজ বুধবার সন্ধ্যায় বৈঠকের সিদ্ধান্ত জানাতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি এ তথ্য জানান। তবে বিষয়টি মন্ত্রিসভার বৈঠকের আলোচ্য বিষয় ছিল না। মন্ত্রিসভার বৈঠকের আগে সকালে জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকের বিষয়ে সাংবাদিকেরা প্রশ্ন করলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব এ তথ্য জানান।

মন্ত্রিসভার বৈঠকে পাঁচটি আইনের খসড়া অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। মূলত অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে পাস হওয়া ১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে নিয়ম অনুযায়ী আইনে পরিণত করতে এই পাঁচটি অধ্যাদেশের খসড়া অনুমোদন দেওয়া হয়।

জ্বালানিবিষয়ক বৈঠকের বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী বিষয়টি রিভিউ করার জন্য সরকারি যত সামর্থ্য আছে, সমস্ত কিছু যাচাই করেছেন। তিনি দেখেছেন যে কীভাবে চলছে, কাজ কী কী অগ্রসর হয়েছে, মন্ত্রণালয় কী কী পদক্ষেপ নিয়েছে এবং কী অবস্থা আছে। প্রধানমন্ত্রী সরকারের সক্ষমতা ও কার্যক্রমগুলো যাচাই করেছেন।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘আমি সংক্ষেপে এটুকু বলতে পারি, আমাদের এর আগে জেনারেলি ১৫ দিনের একটা মজুত থাকত। এখন পর্যন্ত রিজার্ভ সাফিশিয়েন্ট রয়েছে।’ তিনি বলেন যে পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, খুব শিগগির তাতে এই মজুত আরও বড় করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

মানুষ আতঙ্কে তেল কিনছে উল্লেখ নাসিমুল গনি বলেন, হয়তো আর কয়েক দিন পরে কেটে যাবে, মানুষের মধ্যে আস্থা ফেরত এলে।

কত দিনের মজুত আসলে আছে, ১৫ দিনের কি না, জানতে চাইলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, এখন এক মাসের মতো আছে।

জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর গুজবের বিষয়ে করা প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, এ বিষয়ে তিনি অবগত নন এবং এ রকম কোনো লক্ষণও দেখতে পাচ্ছেন না।

যে পাঁচ আইনের খসড়া অনুমোদন

মন্ত্রিসভার বৈঠকে যে পাঁচটি আইনের খসড়া অনুমোদন দেওয়া হয়েছে সেগুলো হলো মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক (সংশোধন) আইন, অর্থ আইন (২০২৫-২৬ অর্থবছর), অর্থসংক্রান্ত কতিপয় (সংশোধন) (২০২৫-২৬ অর্থবছর) আইন, দ্য এক্সাইজ অ্যান্ড সল্ট (সংশোধন) অ্যাক্ট এবং অর্থসংক্রান্ত কতিপয় (দ্বিতীয় সংশোধন) আইন।