এক্সপ্রেসওয়েটি নির্মাণকাজ সম্পন্ন হলে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর নবীনগর-চন্দ্রা মহাসড়কের আবদুল্লাহপুর, আশুলিয়া, বাইপাইল এবং ঢাকা রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলের সঙ্গে সংযুক্ত হবে। রাজধানী থেকে বাইরে দ্রুত প্রবেশ ও প্রস্থান নিশ্চিত হবে। এটি ঢাকার যাত্রাবাড়ী থানার কুতুবখালী পর্যন্ত সংযুক্ত হবে।

উত্তরবঙ্গসহ ৩০টি জেলার চার কোটিরও বেশি মানুষ এক্সপ্রেসওয়ে থেকে উপকৃত হবে। তা ছাড়া এই এক্সপ্রেসওয়ে জনগণ ও পণ্য পরিবহনকে সহজ ও দ্রুত করে তুলবে। যানজট কমাতে সহায়তা করবে।

এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পের নথিতে শূন্য দশমিক ২১৭ শতাংশ দেশের মোট জিডিপি বৃদ্ধির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। প্রকল্পের মোট ব্যয়ের বেশির ভাগ অর্থায়ন দেবে চীন।

প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউসের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এবং বাংলাদেশে চীনের রাষ্ট্রদূত লি জিমিং বক্তব্য দেন।
সেতু বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. মঞ্জুর হোসেন এক্সপ্রেসওয়ে সম্পর্কে পাওয়ার পয়েন্ট উপস্থাপন করেন।

অনুষ্ঠানে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নিয়ে একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শিত হয়।
আশুলিয়ায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী মো. এনামুর রহমানসহ সর্বস্তরের মানুষ ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।