৫ বছর গুম থাকলে উত্তরাধিকারীদের মধ্যে সম্পত্তি বণ্টনের ঘোষণা দিতে পারবেন ট্রাইব্যুনাল

গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার (সংশোধন) অধ্যাদেশ–২০২৬ জারি করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। সংশোধিত অধ্যাদেশ অনুযায়ী, গুম হওয়া ব্যক্তি ন্যূনতম পাঁচ বছর গুম থাকলে এবং জীবিত ফিরে না এলে ওই ব্যক্তির সম্পত্তি বৈধ উত্তরাধিকারীদের মধ্যে বণ্টনযোগ্য বলে ঘোষণা দিতে পারবেন এ–সংক্রান্ত ট্রাইব্যুনাল। এ ক্ষেত্রে বৈধ উত্তরাধিকারীদের আবেদন করতে হবে।

গতকাল মঙ্গলবার অধ্যাদেশটি জারি করা হয়েছে। এর আগে গত ১৮ ডিসেম্বর সংশোধিত এই অধ্যাদেশের অনুমোদন দিয়েছিল অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ।

সংশোধিত অধ্যাদেশ অনুযায়ী, ট্রাইব্যুনালে অভিযোগকারীর পক্ষে মামলা পরিচালনার জন্য এ–সংক্রান্ত কমিশনের সুপারিশে প্রয়োজনীয় সংখ্যক পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) নিয়োগ করা হবে। ভুক্তভোগী ব্যক্তিগত উদ্যোগেও আইনজীবী নিয়োগ করতে পারবেন।

অধ্যাদেশ অনুযায়ী, কমিশন গঠিত না হওয়া পর্যন্ত বা কমিশন না থাকা অবস্থায় সরকার পাবলিক প্রসিকিউটর নিয়োগ করতে পারবে। অথবা ট্রাইব্যুনাল যেই জেলায় বা বিভাগে অবস্থিত, সেই জেলা ও বিভাগের সদর দপ্তরের পাবলিক প্রসিকিউটর বা অতিরিক্ত প্রসিকিউটরকে অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া যাবে।

এদিকে একই দিন মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ ও দমন অধ্যাদেশও জারি করা হয়েছে।