নলকূপের পরিত্যক্ত গর্ত ভরাট ও অরক্ষিত কতগুলো, জানিয়ে প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ
সারা দেশের গভীর নলকূপের পরিত্যক্ত গর্ত (ঢাকনাহীন বা ফাঁকা স্থান) অবিলম্বে ভরাট করতে পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে কতগুলো ভরাট করা হয়েছে, কতগুলো অরক্ষিত আছে, তা জানিয়ে তিন মাসের মধ্যে আদালতে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। স্থানীয় সরকার সচিবসহ বিবাদীদের প্রতি এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
এক রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ আজ সোমবার রুলসহ এ আদেশ দেন।
এর আগে ‘নলকূপের গর্তে পড়ে মারা গেল আরেক শিশু’ শিরোনামে গত ২৯ জানুয়ারি একটি দৈনিকে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এ নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে আসা প্রতিবেদন যুক্ত করে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. মনির উদ্দিন ১ ফেব্রুয়ারি ওই রিট করেন। আদালতে রিটের পক্ষে তিনি নিজেই শুনানি করেন। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল খান জিয়াউর রহমান।
পরে আইনজীবী মো. মনির উদ্দিন প্রথম আলোকে বলেন, সারা দেশে গভীর নলকূপের পরিত্যক্ত গর্ত ভরাট করতে এবং কতগুলো ভরাট করা হয়েছে, কতগুলো খালি বা অরক্ষিত আছে—সার্বিক পরিস্থিতি জানিয়ে তিন মাসের প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।
ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল খান জিয়াউর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, অরক্ষিতগুলোর বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে তথা ঢেকে দিতে বলেছেন আদালত। সেই সঙ্গে সারা দেশে কতগুলো অরক্ষিত আছে, তা জানিয়ে তিন মাসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।