দেশে মুখে খাওয়ার স্যালাইন প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড় সোশ্যাল মার্কেটিং কোম্পানি (এসএমসি)। এসএমসির তৈরি এক প্যাকেট খাওয়ার স্যালাইনের দাম ছিল পাঁচ টাকা। সোমবার এসএমসির একজন শীর্ষ কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, সম্প্রতি খাওয়ার স্যালাইনের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। এখন থেকে প্রতি প্যাকেট স্যালাইন ছয় টাকা দিয়ে কিনতে হবে।

শাহবাগের ওষুধের দোকানিরাও জানিয়েছেন, তাঁরা ছয় টাকা করে স্যালাইনের প্যাকেট বিক্রি করছেন।

সাধারণত ডায়রিয়া চিকিৎসায় স্যালাইন ব্যবহারের পরামর্শ দেন চিকিৎসকেরা। তবে বাংলাদেশের মানুষ স্যালাইন ব্যবহারে অভ্যস্ত হয়ে গেছে। পাতলা পায়খানা দেখা দিলেই অনেকে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়াই স্যালাইন খাওয়া শুরু করে। অনেকে ক্লান্তি দূর করার জন্য স্যালাইন খান। রক্তচাপ স্বাভাবিকের চেয়ে কম থাকলেও অনেকে স্যালাইন খান।

বাংলাদেশে ওষুধের দোকান ছাড়াও মুদিদোকানেও স্যালাইন বিক্রি হয়। টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া; অর্থাৎ সারা দেশের মানুষই স্যালাইন ব্যবহার করে। ওষুধ কোম্পানি সূত্র জানিয়েছে, প্রতিবছর প্রায় ১০০ কোটি প্যাকেট খাওয়ার স্যালাইন দেশে বিক্রি হয়।