প্রতিমন্ত্রী বলেন, ভবিষ্যতে নতুন একটি ‘ডেটা সেন্টার তৈরি করা হবে। এতে ৩০০ মিলিয়ন ডলার ব্যয় হবে। এ ছাড়া স্মার্ট লিডারশিপ একাডেমি প্রতিষ্ঠার জন্য ৫০ মিলিয়ন ডলার, শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব ও স্কুল অব ফিউচার প্রতিষ্ঠার জন্য ১০০ মিলিয়ন ও ৩৫টি শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং অ্যান্ড আইটি ইনকিউবেশন সেন্টার প্রতিষ্ঠার জন্য ৩০০ মিলিয়ন ডলারের প্রয়োজন হবে। স্মার্ট বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়নে বিশ্বব্যাংকের সহযোগিতা চান তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী।

বাংলাদেশে তথ্যপ্রযুক্তি খাতের বিকাশে বিশ্বব্যাংকের সহযোগিতা ও সমর্থন অব্যাহত থাকবে বলে জানান অ্যাক্সেল ভ্যান ট্রটসেনবার্গ। তিনি বলেন, বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন সহযোগী। অতীতের মতো বিশ্বব্যাংক ভবিষ্যতে বাংলাদেশের সঙ্গে একযোগে কাজ করতে আগ্রহী। তিনি স্টার্টআপ খাতের বিকাশে সরকারের নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগের প্রশংসা করেন। এ ছাড়া দেশের তরুণদের মেধাকে কাজে লাগানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন অ্যাক্সেল ভ্যান ট্রটসেনবার্গ।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের (বিসিসি) নির্বাহী পরিচালক রণজিৎ কুমার, বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বিকর্ণ কুমার ঘোষ, আইসিটি বিভাগের অতিরিক্ত সচিব খন্দকার আজিজুল ইসলাম, স্টার্টআপ বাংলাদেশের এমডি সামি আহমেদ, এনহ্যান্সিং ডিজিটাল গভর্নমেন্ট অ্যান্ড ইকোনমি (ইডিজিই) প্রকল্প পরিচালক মুহাম্মদ মেহেদী হাসান, বিশ্বব্যাংকের রিজিওনাল (এসএআর) ভাইস প্রেসিডেন্ট মার্টিন রেইজার প্রমুখ।