এ সময় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন (ডিএসএ) নিয়ে উদ্বেগ জানান হেইডি হাওটোলা। তিনি বলেন, ‘আন্তর্জাতিক মানদণ্ড মেনে এ আইনের সংশোধন করা হয়। এ আইনের প্রভাব ভয়াবহ, মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে আরও আলোচনার দরকার আছে। ইইউ ইতিমধ্যে আইনটি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। আমরা খুশি যে এটি নিয়ে বিতর্ক হচ্ছে।’

শ্রম সংস্থার বিষয়ে হেইডি হাওটোলা বলেন, ‘গত বছর বাংলাদেশ এ বিষয়ে জাতীয় কর্মপরিকল্পনা ঘোষণা করেছে। আমরা এর পূর্ণ এবং সন্তোষজনক বাস্তবায়ন চাই। ট্রেড ইউনিয়ন যেন নিবন্ধিত হতে পারে। এই সুবিধা যেন ইপিজেডে থাকে।’

ইউরোপিয়ান ইউনিয়নে জিএসপি প্লাস সুবিধা পেতে হলে মৌলিক মানবাধিকার পালন করতে হবে জানিয়ে ইইউ পার্লামেন্টের ভাইস প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘আমি আশা করি এটি বাংলাদেশ সরকার মাথায় রাখবে।’

বিচারবহির্ভূত হত্যা ও গুম নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে হেইডি হাওটোলা বলেন, এটি মানবাধিকারের বড় লঙ্ঘন।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন ছয় সদস্যবিশিষ্ট ইউরোপিয়ান পার্লামেন্টের প্রতিনিধিদলের অন্যতম সদস্য ম্যাক্সিমিলান ক্রাহ। আলোচনা সঞ্চালনা করেন ডিকাব সভাপতি রেজাউল করিম লোটাস।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন