বিদ্যুৎ–ঘাটতির কারণে দেশে ১৯ জুলাই থেকে শুরু হয়েছে লোডশেডিং। বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থাগুলো আগে থেকেই লোডশেডিংয়ের সময় জানিয়ে দিচ্ছে। তবে অনেক জায়গায় নির্ধারিত সময়ের চেয়ে বেশি সময় ধরে লোডশেডিং হচ্ছে।

আজ মন্ত্রণালয়ের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘বর্তমানে দেশে জ্বালানি তেলের কোনো ঘাটতি বা সংকট নেই। সংকটের কোনো আশঙ্কাও নেই। আগামী মাসের জন্য প্রয়োজনীয় তেল আমদানির প্রক্রিয়া পাইপলাইনে আছে।’

দেশে তেলের মজুত কত আছে আজ তা তুলে ধরেছে মন্ত্রণালয়। বলা হয়েছে, বর্তমানে ডিজেল মজুত রয়েছে ৪ লাখ ৩১ হাজার ৮৩৫ মেট্রিক টন। দৈনিক গড় বিক্রি ১৩ হাজার ৬০৭ মেট্রিক টন হিসেবে ৩২ দিনের; জেট-এ-১ মজুত রয়েছে ৪৪ দিনের ও ফার্নেস অয়েল মজুত রয়েছে ৩২ দিনের। সক্ষমতা অনুসারে যথেষ্ট পরিমাণ জ্বালানি তেল মজুত রয়েছে।

পেট্রল পুরোটাই বাংলাদেশ উৎপাদন করে। অকটেনের প্রায় ৪০ ভাগ বাংলাদেশ উৎপাদন করে বলে জানায় মন্ত্রণালয়।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জুলাই মাসে ৯টি জাহাজ থেকে ইতিমধ্যে ২ লাখ ৫৫ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল, দুটি জাহাজ থেকে প্রায় ৪৩ হাজার মেট্রিক টন জেট-এ-১, একটি জাহাজ থেকে ২৪ হাজার ৬৭৭ মেট্রিক টন অকটেন এবং দুটি জাহাজ থেকে ৫৩ হাজার ৩৫৮ মেট্রিক টন ফার্নেস অয়েল গ্রহণ করা হয়েছে। আগামী আগস্ট মাসে এক জাহাজে ২ লাখ ১৮ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল, এক জাহাজে ২৫ হাজার মেট্রিক টন জেট-এ-১ এবং এক জাহাজে থেকে ২৫ হাজার মেট্রিক টন অকটেন আসবে।

আগামী ছয় মাসের আমদানি পরিকল্পনা অনুসারে জ্বালানি তেল বাংলাদেশে আসবে বলে জানানো হয় বিজ্ঞপ্তিতে। এর ৫০ ভাগ জি-টু-জি চুক্তির মাধ্যমে এবং বাকি ৫০ ভাগ উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে ক্রয়াদেশ দেওয়া হয়েছে।

ভর্তুকি মূল্যে সরবরাহ করা জ্বালানি তেল ব্যবহারে মিতব্যয়ী ও সাশ্রয়ী হওয়ার জন্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন