ন্যাশনাল ব্যাংকের চার গ্রাহককে আমানতের অর্থ উত্তোলনের সুযোগ দিতে নির্দেশ কেন নয়: হাইকোর্ট
নিজ নিজ ব্যাংক হিসাবে অর্থ জমা থাকা সত্ত্বেও উত্তোলন করতে না পেরে উচ্চ আদালতে রিট করেছেন ন্যাশনাল ব্যাংক পিএলসির চার গ্রাহক। এই রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি শেখ তাহসিন আলীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের অবকাশকালীন বেঞ্চ সোমবার রুলসহ আদেশ দেন।
রুলে আবেদনকারীদের (চারজন) নিজ নিজ ব্যাংক হিসাবে জমা রাখা অর্থ উত্তোলনের অনুমতি দিতে নিষ্ক্রিয়তা কেন আইনি কর্তৃত্ব–বহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়েছে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট হিসাবগুলো থেকে তাঁরা (রিট আবেদনকারী চার আমানতকারী) জমা রাখা অর্থ যেন উত্তোলন করতে পারেন, সে জন্য আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, সে বিষয়েও রুলে জানতে চাওয়া হয়েছে।
ন্যাশনাল ব্যাংকের চার গ্রাহক ২২ সেপ্টেম্বর ওই রিট আবেদন করেন। তাঁরা হলেন লাকি আক্তার, নাসিমা বেগম, মোছা. সাথী বেগম ও মো. আরিফ মিয়া। নিজ নিজ ব্যাংক হিসাবে অর্থ থাকা সত্ত্বেও দাবির বিপরীতে আবেদনকারীরা অর্থ উত্তোলন করতে পারেননি বলে রিটে উল্লেখ করা হয়েছে।
আদালতে রিট আবেদনকারীদের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মারুফ উল আবেদ। রুলের বিষয়টি জানিয়ে মঙ্গলবার তিনি প্রথম আলোকে বলেন, অর্থ না পেয়ে বিভিন্ন সময়ে ন্যাশনাল ব্যাংক কর্তৃপক্ষের কাছে পৃথক আবেদন করেন রিট আবেদনকারীরা। এতে প্রতিকার না পেয়ে নিজ নিজ সঞ্চয়ী হিসাব থেকে জমা রাখা অর্থ উত্তোলনের সুযোগ নিশ্চিতে তারা বাংলাদেশ ব্যাংকের গ্রাহক স্বার্থ সুরক্ষা কেন্দ্র এবং আর্থিক সততা ও গ্রাহকসেবা বিভাগে ই-মেইল ও পোর্টালের মাধ্যমে অভিযোগ করেন। এরপরও কার্যকর পদক্ষেপ না পাওয়ায় চার গ্রাহক রিটটি করেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে রিট আবেদনকারীদের করা অভিযোগ নিষ্পত্তি করতে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।