বিষয়টি নিশ্চিত করে চট্টগ্রাম জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি শেখ ইফতেখার সাইমুল চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন, আসলাম চৌধুরীসহ ৫০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত। আসামিরা সবাই সীতাকুণ্ড থানা বিএনপির নেতা–কর্মী। মো. ইউসুফ নামের এক আসামি ইতিমধ্যে মারা যাওয়ায় তাঁকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, আদালত আগামী ১৮ মার্চ এ মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ শুরুর দিন ধার্য রেখেছেন।

আদালত সূত্র জানায়, ২০১৩ সালের ৮ নভেম্বর রাজধানীতে বিএনপির নেতা ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ ও রফিকুল ইসলাম মিয়াকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এর প্রতিবাদে আসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে ওই দিন রাত সাড়ে ১১টার দিকে সীতাকুণ্ড পৌরসভার ঢাকা–চট্টগ্রাম মহাসড়কের মোস্তফা পেট্রলপাম্পের সামনে আসামিরা মহাসড়কে ব্যারিকেড দিয়ে যানবাহন চলাচলে বাধা দেন। একপর্যায়ে তাঁরা যানবাহন ভাঙচুর করে কয়েকটি গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেন।

এ সময় পুলিশ তাঁদের থামাতে চাইলে আসামিরা পুলিশের ওপরও হামলা করেন। এ ঘটনায় সীতাকুণ্ড থানার তৎকালীন উপপরিদর্শক (এসআই) মো. সাইফুল্লাহ বাদী হয়ে আসলামসহ ৩৮ জনের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা করেন। মামলার তদন্ত তদারক কর্মকর্তা এসআই মো. ইকবাল হোসেন ২০১৮ সালের ৯ সেপ্টেম্বর আদালতে ৫১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেন।

এ মামলার আসামিদের মধ্যে আসলাম চৌধুরী ২০১৬ সালের ১৫ মে রাজধানী থেকে গ্রেপ্তার হন। তাঁর নামে শতাধিক মামলা আছে।