দেশের ১৮তম অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল

সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মো. রুহুল কুদ্দুস কাজলফাইল ছবি

দেশের ১৮তম অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিয়োগ পেলেন সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল।

আজ বুধবার এই নিয়োগের প্রজ্ঞাপন জারি করে আইন মন্ত্রণালয়। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, রুহুল কুদ্দুস কাজলকে পুনরাদেশ না দেওয়া পর্যন্ত অ্যাটর্নি জেনারেল পদে নিয়োগ দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি। এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।

রুহুল কুদ্দুস বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য ও জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। তিনি সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সম্পাদক ছিলেন। এ ছাড়া বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সদস্য নির্বাচিত হয়ে এক্সিকিউটিভ কমিটির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।

রুহুল কুদ্দুস ১৯৯৫ সালে ঢাকা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের আইনজীবী হিসেবে আইন পেশা শুরু করেন। ১৯৯৬ সালে তিনি হাইকোর্ট বিভাগের আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন। ২০০৮ সালে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন তিনি। ২০২৩ সালে তিনি সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী হন।

রুহুল কুদ্দুস বাংলাদেশ সরকারের কূটনৈতিক কর্মকর্তা হিসেবেও কাজ করেছেন। তিনি যুক্তরাজ্যের লন্ডনে বাংলাদেশ হাইকমিশনে ২০০৩ থেকে ২০০৬ মেয়াদে কর্মরত ছিলেন।

ছাত্রজীবনে সাংবাদিকতার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন রুহুল কুদ্দুস। তিনি ১৯৯৩ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি (অনার্স), ১৯৯৪ সালে এলএলএম করেন। ২০০৫ সালে তিনি যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব লন্ডন থেকে এলএলবি (অনার্স) ডিগ্রি লাভ করেন। ২০০৬ সালে লন্ডনের সিটি ইউনিভার্সিটি থেকে বার ভোকেশনাল কোর্স সম্পন্ন করেন। ২০০৬ সালে তিনি যুক্তরাজ্যের লিংকনস ইন থেকে ব্যারিস্টার অ্যাট ল সনদ অর্জন করেন।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ২০২৪ সালের ৮ আগস্ট সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মো. আসাদুজ্জামান দেশের ১৭তম অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিয়োগ পেয়েছিলেন। তিনি বিএনপির মানবাধিকারবিষয়ক সম্পাদক ছিলেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার জন্য গত বছরের ২৭ ডিসেম্বর অ্যাটর্নি জেনারেলের পদ ছাড়েন আসাদুজ্জামান। তাঁর পদত্যাগের পর অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ আরশাদুর রউফকে অ্যাটর্নি জেনারেল পদের অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়।

অন্যদিকে গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ঝিনাইদহ-১ (শৈলকুপা) আসনে বিএনপির সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন আসাদুজ্জামান। বিএনপির সরকারে তিনি আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন।