হাটহাজারী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের জ্যেষ্ঠ স্টেশন কর্মকর্তা মোহাম্মদ শাহজাহান বলেন, দুপুর ১২টার দিকে তাঁরা ৯৯৯ নম্বর থেকে চবিতে একজন নিখোঁজ হওয়ার বার্তা পান। কিছুক্ষণের মধ্যেই তাঁরা একটি ইউনিট নিয়ে সেখানে পৌঁছান। বেলা ১টা ১৫ মিনিটের দিকে তাঁরা ওই ছাত্রকে উদ্ধার করেন।

মোহাম্মদ শাহজাহান আরও বলেন, ঝরনার দিকে ওই খালের গভীরতা ৩৫ ফুট। যে সাতজন গোসলে নেমেছিল, তাদের মধ্যে রাকিবুরসহ চারজন সাঁতার জানত না। তারা ১৫ ফুট গভীর থেকে রাকিবুরকে উদ্ধার করে। সেখানে একটি পাথরে রাকিবুর আটকা ছিল।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ঝরনার অবস্থান নির্মাণাধীন দ্বিতীয় কলা ভবনের পেছনে। দুর্ঘটনার আশঙ্কায় এ জায়গাকে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এ ঝরনায় মৃত্যুর ঘটনা এবারই প্রথম নয়।

২০১৫ সালে বিশ্ববিদ্যালয়ের মানবসম্পদ বিভাগের প্রথম বর্ষের দুই শিক্ষার্থী ঝরনায় পড়ে নিখোঁজ হন। পরে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল মৃত অবস্থায় তাঁদের উদ্ধার করেন। ২০২০ সালের ১৩ জুলাই সাইফুর রহমান মুন্না নামের এক যুবকের মৃত্যু হয়। তিনি চট্টগ্রামের হাটহাজারী কলেজের রাজনীতিবিজ্ঞান বিভাগের চতুর্থ বর্ষের ছাত্র।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর শহিদুল ইসলাম বলেন, ঝরনাটি ঝুঁকিপূর্ণ। এর আগেও এখানে মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। প্রবেশপথে সাবধান করে সাইনবোর্ডও লাগানো আছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সাধারণত এখানে যান না।