উন্নয়নশীল আট দেশের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে গড়ে তোলা হয় ডি–৮। এই জোটে বাংলাদেশ ছাড়াও মিসর, ইন্দোনেশিয়া, ইরান, মালয়েশিয়া, নাইজেরিয়া, পাকিস্তান ও তুরস্ক রয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুল মোমেন বলেন, জ্বালানিমন্ত্রীদের বৈঠকের তারিখ এখনো ঠিক হয়নি। ডি–৮–এর সচিবালয় এটি ঠিক করবে।

ইরান থেকে তেল আমদানির বিষয়ে আলোচনা হয়েছে কি না জানতে চাইলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘ওই দেশ থেকে আমদানির ক্ষেত্রে কিছু বিধিনিষেধ আছে। আমরা সেগুলো মেনে চলি।’

এক প্রশ্নের উত্তরে আব্দুল মোমেন জানান, মিসর ছাড়া ডি–৮–এর অন্য সাত দেশ পিটিএ (অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি) অনুসমর্থন করেছে। আগামী অক্টোবর থেকে পিটিএ পুরোপুরি বাস্তবায়ন হবে। এবারের বৈঠকে মিসর জানিয়েছে, তারা শিগগিরই পিটিএ অনুসমর্থন করবে। এ ছাড়া চুক্তিটি দ্রুত কার্যকরের লক্ষ্যে খসড়া বাণিজ্য সহায়ক কৌশল চূড়ান্ত করার কাজ চলছে। সভায় এ বিষয়ে পর্যালোচনা করা হয়েছে। এই খসড়া শিগগিরই বাংলাদেশে অনুষ্ঠেয় বাণিজ্যমন্ত্রীদের বৈঠকে চূড়ান্ত হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

গত ২৫ বছরে আটটি দেশের আন্তবাণিজ্যের পরিমাণ ১ হাজার ৪০০ কোটি ডলার থেকে ১ লাখ ২ হাজার ৯০০ কোটি ডলারে উন্নীত হয়েছে জানিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্য প্রতিবন্ধকতা বেশি। এখন একটি সমঝোতায় পৌঁছানো গেছে।

আট দেশের জোটের মধ্যে আন্তবাণিজ্য বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করে আব্দুল মোমেন বলেন, ২৫ বছর আগে ডি-৮–এর সদস্যদেশগুলোর আন্তবাণিজ্যের পরিমাণ ছিল ১৪ বিলিয়ন ডলার। আর এখন তা ১২৯ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। আগামী ১০ বছরে সদস্যদেশগুলোর মধ্যে আন্তবাণিজ্য ১০ গুণ বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এবার মিসরের কাছে ডি-৮–এর সভাপতির দায়িত্ব হস্তান্তরের কথা ছিল। কিন্তু মিসরের অনুরোধের কারণে বাংলাদেশ আরও এক বছর সভাপতির দায়িত্ব পালন করবে।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন