জানা যায়, পর্যটন করপোরেশনের দুটি টয়োটা এসি ট্যুরিস্ট কোস্টারে করে পর্যটকদের নিয়ে যাওয়া হবে। সকাল ৮টায় পর্যটন ভবনে পর্যটকদের উপস্থিতির পর তাঁদের নাশতা দেওয়া হবে। এরপর সকাল সাড়ে ৮টায় সেখান থেকে যাত্রা শুরু হবে।

যাত্রাপথে পদ্মা সেতু ও ভাঙ্গা চত্বর দেখানোর ব্যবস্থা থাকবে। এরপর ভাঙ্গা চত্বরসংলগ্ন একটি রেস্তোরাঁয় যাত্রাবিরতি দেওয়া হবে। এর মধ্যে সেখানে হালকা নাশতা দেওয়ার পর বেলা একটায় টুঙ্গিপাড়ায় পর্যটন করপোরেশনের নিজস্ব মোটেল মধুমতীতে নিয়ে যাওয়া হবে পর্যটকদের। সেই মোটেলেই দুপুরের খাবার খাওয়ার পর বঙ্গবন্ধুর মাজার কমপ্লেক্স, তাঁর স্মৃতিবিজড়িত স্থান ও জন্মভিটা পরিদর্শনের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

তারপর বিকেল ৪টায় মোটেল থেকে ফিরতি যাত্রা শুরু হবে। ভাঙ্গায় আবার একটি হোটেলে যাত্রাবিরতি ও নাশতা শেষে রাত ৮টা থেকে ৯টার মধ্যে ঢাকায় ফেরার আয়োজন থাকবে।

পর্যটন করপোরেশনের উপব্যবস্থাপক (বিপণন) মোহাম্মদ শেখ মেহদি হাসান বলেন, গত ২৩ জুন একবার টুঙ্গিপাড়া ভ্রমণের এ প্যাকেজ চালু করা হয়েছিল। জনপ্রতি খরচ ছিল ৩ হাজার ৫০০ টাকা। তখন এই প্যাকেজ তেমন সাড়া পায়নি। শোকের মাসে ‘শোকের মাসে, পিতার পাশে’ প্রতিপাদ্য সামনে রেখে আবার সেই প্যাকেজ চালু করা হলো। প্যাকেজের সুযোগ–সুবিধা একই রেখে এবার ১ হাজার টাকা ছাড় দিয়ে ২ হাজার ৫০০ টাকা করা হয়েছে।

পর্যটন করপোরেশনের ব্যবস্থাপক (ভ্রমণ ও রেন্ট-এ-কার) মো. নজরুল ইসলাম বলেন, এই প্যাকেজে পদ্মা সেতু, ভাঙ্গা চত্বর, টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর মাজার কমপ্লেক্স, স্মৃতিবিজড়িত স্থান ও তাঁর জন্মভিটা দেখানো হবে। সময় থাকলে মধুমতী নদীর তীরেও নিয়ে যাওয়া হবে। ভালো সাড়া মিললে মাসে একবার করে টুঙ্গিপাড়া নিয়ে যাওয়ার এ প্যাকেজ চালু থাকবে।

১৮ আগস্ট টুঙ্গিপাড়া ভ্রমণের বুকিং ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে। পর্যটন ভবনে এসে বুকিং দেওয়া যাচ্ছে। তবে কেউ ঢাকার বাইরে থাকলে বিকাশেও বুকিং নেওয়া হচ্ছে বলে জানান নজরুল ইসলাম।

টুঙ্গিপাড়ায় ৯ ও ২৩ সেপ্টেম্বরও এই প্যাকেজ চালু রাখার ঘোষণা দিয়েছে পর্যটন করপোরেশন।

এর আগে গত ২২ জুলাই পদ্মা সেতু দেখার ভ্রমণ প্যাকেজ চালু করে সরকারের এই প্রতিষ্ঠান।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন