এক রিটের প্রাথমিক শুনানি শেষে বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলাম ও বিচারপতি মো. সোহরাওয়ার্দীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ আজ সোমবার রুলসহ এ আদেশ দেন। একই সঙ্গে জেলা চারটিতে থাকা অবৈধ ইটভাটার তালিকা দুই সপ্তাহের মধ্যে আদালতে দাখিল করতে চার জেলা প্রশাসককে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

অবৈধভাবে ইটভাটার কার্যক্রম পরিচালনা নিয়ে গণমাধ্যমে আসা কয়েকটি প্রতিবেদন যুক্ত করে পরিবেশবাদী সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের পক্ষে গতকাল রোববার রিটটি করা হয়। রিটের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনজিল মোরসেদ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল কাজী মাঈনুল হাসান।

পরে আইনজীবী মনজিল মোরসেদ প্রথম আলোকে বলেন, আইন অনুসারে লাইসেন্স ছাড়া কোনো ইটভাটা স্থাপন ও এর কার্যক্রম পরিচালনা করা যায় না। অথচ শীত মৌসুম সামনে রেখে কয়েকটি জেলায় অবৈধ ইটভাটার কার্যক্রম শুরু করছে বলে গণমাধ্যমের প্রতিবেদনগুলোয় এসেছে। অবৈধ এই ইটভাটা বন্ধসহ এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা চেয়ে রিটটি করা হলে আদালত রুলসহ ওই আদেশ দেন।

রুলে চার জেলার অবৈধ ইটভাটা বন্ধে বিবাদীদের নিষ্ক্রিয়তা কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না এবং অবৈধ ইটভাটা পরিচালনাকারীদের বিরুদ্ধে আইন অনুসারে ব্যবস্থা নিতে কেন নির্দেশ নেওয়া হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়েছে। পরিবেশসচিব, পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, চার জেলার জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপারসহ ২৪ বিবাদীকে চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে বলে জানান রিট আবেদনকারী আইনজীবী।