তাসমীর হাসানের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিউরোসার্জারি বিভাগের প্রধান এম নোমান খালেদ চৌধুরী। তিনি বলেন, তাসমীর লাইফ সাপোর্টে ছিল। শনিবার রাতে তার লাইফ সাপোর্ট খুলে নেওয়া হয়৷

গত ২৯ জুলাই মিরসরাইয়ের বড়তাকিয়া রেলগেটে চট্টগ্রামমুখী মহানগর প্রভাতী ট্রেন একটি মাইক্রোবাসে ধাক্কা দেয়। ওই মাইক্রোবাসে হাটহাজারীর আরএনজে কোচিং সেন্টারের ছাত্র ও শিক্ষকেরা ছিলেন। এ সময় ঘটনাস্থলেই চালকসহ ১১ জন মারা যান। পরে সাতজনকে আহত অবস্থায় চমেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তাঁদের মধ্যে তাসমীরসহ দুজনের মৃত্যু হলো।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, দুর্ঘটনার পর তাসমীর হাসানকে প্রথমে হাসপাতালের নিউরোসার্জারি বিভাগে ভর্তি করা হয়। পরদিন ৩০ জুলাই তাকে আইসিইউতে নেওয়া হয়। সেখানে লাইফ সাপোর্টে ছিল তাসমীর।

এদিকে ওই ঘটনায় আহত ব্যক্তিদের মধ্যে আরও তিনজন চমেক হাসপাতালের নিউরোসার্জারি বিভাগে চিকিৎসা নিচ্ছেন। আর অপর একজন অর্থোপেডিক বিভাগে চিকিৎসাধীন বলে জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন