খাইরুল আলম লিখেছেন, ‘জ্বালানি তেলের সাথে সবকিছুর সম্পর্ক। সব পণ্যের দাম বাড়বে, আরও অশান্তি হবে, মরবে তো সাধারণ মানুষই।’ একই ধরনের মন্তব্য করেছেন নুরুল আলমও। তিনি লিখেছন, ’তেলের দাম শুধু পরিবহনভাড়া বাড়ায় না, প্রতিটি পণ্যের দাম লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়বে। আর যেটাতে তেল লাগবে না, সেটাও বাড়বে। তাই উন্নয়ন উন্নয়ন না করে ভর্তুকি বাড়িয়ে এ সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসা উচিত।’

রাঙামাটি থেকে মন্তব্য করেছেন মোহাম্মদ মাহবুব। তিনি লিখেছেন, ’রাঙামাটিতে খুবই ভয়াবহ অবস্থা, দূরপাল্লার বাহন থেকে শুরু করে সিএনজিও বন্ধ রাখা হয়েছে, বাড়ছে মানুষের ভোগান্তি।’ মো. আলমগীর নামের এক পরীক্ষার্থী লিখেছন, ‘আজ একটা পরীক্ষা আছে, রাস্তায় বাস নেই, তাই বাধ্য হয়ে হেঁটেই যাচ্ছি হলে।’

আবু ইউসুফ মামুন নামের আরও এক পরীক্ষার্থী জানিয়েছেন তাঁর ভোগান্তির কথা। তিনি লিখেছেন, ‘৩:৩০–এ পরিক্ষা, ৩০ মিনিটের পথ। ২ ঘণ্টা এক জায়গায় দাঁড়িয়ে আছি। রোদে শুকিয়ে কাঠ হয়ে যাচ্ছি, কিন্তু গাড়ির কোনো দেখা পাচ্ছি না।’ জাহিদুল ইসলাম পলাশের পরামর্শ, ’সকল সরকারি কর্মকর্তার অফিসিয়াল গাড়ি বন্ধ করে দেওয়া হোক। তাঁদের জন্য পাবলিক ট্রান্সপোর্ট চালু করলেই দেশের এই তেল অর্ধেকেরও বেশি বেঁচে যাবে।’

ম্যারিনা নাসরীন লিখেছেন, ’হাঁটার অভ্যাস করছি। খরচ হবে না স্বাস্থ্যও ভালো থাকবে।’ তাইজুল ইসলাম সাদ্দাম লিখেছেন, ’পেট্রল ছাড়া গাড়ি চালানোর রেসিপিটা কখন রিলিজ হবে?’ আল জুবাইর লিখেছন, ’রিজার্ভে থাকার পরও তেলের দাম একলাফে এত বৃদ্ধি আসলেই প্রশ্নবিদ্ধ একটি সিদ্ধান্ত।’

কামরুল হোসাইন লিখেছেন, ’জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির অজুহাতে সিএনজিচালিত যে বাসগুলো বন্ধ, সেগুলোর রোড পারমিট বাতিল করা হোক।’ মোজাম্মেল হক লিখেছেন, ’সিএনজি ও অন্য বাহনগুলে ভাড়া দ্বিগুণ–তিন গুণ বাড়িয়ে দিছে। সাধারণ মানুষ অনেক কষ্টে আছে। সকাল থেকেই বাজারে বিভিন্ন নিত্যপণ্যের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে। এভাবে চলতে থাকলে খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষগুলোর কষ্টের শেষ থাকবে না।’

তানভীর আহমেদ লিখেছেন, ’আমার অভিজ্ঞতা বরাবরই ভালো। হেঁটে কর্মস্থলে এসেছি, হেঁটে আবার বাসায় ফিরব। সাশ্রয়ী হচ্ছি। নিজে বাঁচব দেশ বাঁচাব।

আল–আমিন হক পলাশ লিখেছেন, ’রাস্তায় বেরিয়ে আমার অবস্থা—প্রতিদিন বাসের লোকজন টেনে টেনে জোর করে গাড়িতে তুলত, আজ দুই ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে টিকেট পেয়েছি৷ জানি না বিকালে আরও কত সময় লাইনে দাঁড়ানো লাগবে!’ মো. জসিম উদ্দিন লিখেছেন, ’বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে দূরদূরান্ত থেকে, এক জেলা থেকে অন্য জেলাতে হাজার হাজার ছাত্রছাত্রী ও তাদের অভিভাবকরা গিয়ে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। এই সংকটজনক পরিস্থিতির দায়ভার নেবে কে?’

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন