কেন্দ্রীয় যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ ও সাধারণ সম্পাদক মইনুল হোসেন খান এই কমিটি অনুমোদন দিয়েছেন। গত ২৮ মে দক্ষিণ জেলা যুবলীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। একই সময়ে চট্টগ্রাম উত্তর ও চট্টগ্রাম মহানগর যুবলীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। অন্য দুই কমিটির বিষয়ে জানতে চাইলে কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মইনুল হোসেন খান প্রথম আলোকে বলেন, যেহেতু একটা কমিটি দিয়ে দেওয়া হয়েছে অন্য দুটিও শিগগিরই ঘোষণা করা হবে।

দক্ষিণ জেলা কমিটির সভাপতি প্রার্থী দিদারুল ইসলাম প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দিদার পরে কেন্দ্রে এসে জীবনবৃত্তান্ত জমা দিয়েছেন। তাঁকে সভাপতি করা হয়েছে।

জানা গেছে, পটিয়ায় অনুষ্ঠিত সম্মেলনের দিন সভাপতি পদে ১০ জন এবং সাধারণ সম্পাদক পদে ২২ জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। সেখানে দিদারুল ইসলাম সভাপতি কিংবা অন্য পদে মনোনয়ন জমা দেননি। তিনি আগের কমিটির সহসভাপতি ছিলেন। সে হিসেবে সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির আহ্বায়ক ছিলেন।

বিষয়টি স্বীকার করে দিদারুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমি পরে কেন্দ্রে গিয়ে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছি। সম্মেলনের সময় জমা দিইনি। কেন্দ্র আমাকে যোগ্য মনে করেছে তাই দায়িত্ব দিয়েছে।’
সভাপতি পদে ১০ জন মনোনয়নপত্র জমা দিলেও পরে অবশ্য দুজন তা প্রত্যাহার করে নেন।

সাধারণ সম্পাদক পদে ২২ জনের মধ্যে ছিলেন বোয়ালখালীর পৌর মেয়র মো. জহুরুল ইসলাম। তিনি আবার বোয়ালখালী উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক। তিনি পৌর আওয়ামী লীগের আহ্বায়কও ছিলেন। এ বিষয়ে জানতে চাইলে জহুরুল ইসলামের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করে সাড়া পাওয়া যায়নি।

বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নুরুল আমিন চৌধুরী বলেন, জহুর আমাদের কমিটির যুগ্ম সম্পাদক। বয়স কম হিসেবে তাঁকে মনোনীত হয়তো করেছে। আওয়ামী লীগ করলে যে যুবলীগে ভূমিকা রাখতে পারবে না এ রকম কোনো বাধা নেই।

যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন নাছির উদ্দিন। তিনি সাধারণ সম্পাদক পদের জন্য জীবনবৃত্তান্ত জমা দিয়েছিলেন। এক নম্বর সহসভাপতি হয়েছেন জেলা ছাত্রলীগের আহবায়ক মোহাম্মদ ফারুক।