‘আম কূটনীতি’র মাধ্যমে নেপালে বন্ধুত্বের বার্তা পৌঁছে দিল বাংলাদেশ
বাংলাদেশ প্রতিবেশী দেশ নেপালের সঙ্গে সৌহার্দ্য ও দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্ককে জোরদার করার লক্ষ্যে বার্ষিক ‘সিজন’স বেস্ট কমপ্লিমেন্টস’ উদ্যোগের অংশ হিসেবে দেশটির বিশিষ্ট ব্যক্তিদের জন্য উপহার হিসেবে আম পাঠিয়েছে। এই আমের পরিমাণ ১ হাজার ৭৫০ কেজির বেশি।
আজ শনিবার প্রাপ্ত এক বার্তায় জানানো হয়, কাঠমান্ডুর বাংলাদেশ দূতাবাস নেপালের প্রেসিডেন্ট, স্পিকার ও মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, জ্যেষ্ঠ সরকারি কর্মকর্তা, কূটনীতিক, ব্যবসায়ী নেতা, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও বাংলাদেশের বন্ধুসহ ৩৬০ জনের বেশি ব্যক্তির কাছে আমের প্যাকেট পৌঁছে দেন। উদ্যোগটি বর্তমানে ‘আম কূটনীতি’ নামে পরিচিতি লাভ করেছে।
উপহারের মধ্যে ছিল ক্ষীরশাপাতি জাতের আম, যা ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) স্বীকৃত ও ভারতীয় উপমহাদেশের অন্যতম সুস্বাদু আম হিসেবে ব্যাপকভাবে পরিচিত। আমগুলো বাংলাদেশের আমের রাজধানী হিসেবে পরিচিত চাঁপাইনবাবগঞ্জের দুটি বাগান থেকে সদ্য সংগ্রহ করা হয়। সেগুলো বাংলাবান্ধা বন্দর, শিলিগুড়ি সীমান্তের ফুলবাড়ী স্থলবন্দর ও কাকরভিট্টা বন্দর হয়ে নেপালে পাঠানো হয়।
দূতাবাস জানায়, এ উদ্যোগ বাংলাদেশ ও নেপালের মধ্যকার দীর্ঘস্থায়ী বন্ধুত্ব এবং দুই দেশের জনগণের মধ্যে বিদ্যমান ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের প্রতিফলন। এই উপহার দুই বন্ধুত্বপূর্ণ দেশের মধ্যে বিদ্যমান আন্তরিকতা, শুভেচ্ছা ও কূটনৈতিক সৌহার্দ্যের প্রতীক, যা দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে অধিকতর সুদৃঢ় করে চলেছে।
কাঠমান্ডুর বাংলাদেশ দূতাবাস এ বছরের ‘সিজন’স বেস্ট কমপ্লিমেন্টস’ উদ্যোগ সফল করতে সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে। একই সঙ্গে দুই দেশের জনগণের মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়নে সাংস্কৃতিক ও জনকূটনীতির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথাও তুলে ধরেছে।