বিশ্বের ১৪টি আট হাজারি শৃঙ্গের মধ্যে কে-টুর (৮৬১১ মিটার) অবস্থান মাউন্ট এভারেস্টের (৮৮৪৮ মিটার) পরই। আর উচ্চতার হিসাবে ব্রড পিক (৮০৫১ মিটার) বিশ্বে দ্বাদশ। তবে পর্বতারোহীদের কাছে অন্যতম কঠিন পর্বত কে-টু। গত বছরের জানুয়ারিতে শীতকালে কে-টু শৃঙ্গে উঠে যে ১০ জন নেপালি পর্বতারোহী বিশ্ব রেকর্ড করেন, মিংমা তেনজি শেরপা তাঁদেরই একজন। এ ছাড়া ১০ বার এভারেস্ট জয়সহ ১১টি আট হাজারি শৃঙ্গ জয়ের নজির আছে মিংমার ঝুলিতে।

অন্যদিকে ওয়াসফিয়া দ্বিতীয় বাংলাদেশি নারী হিসেবে ২০১২ সালের ২৬ মে এভারেস্ট জয় করেন। এরপর বাংলাদেশের প্রথম পর্বতারোহী হিসেবে সাত মহাদেশের সাতটি সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গও জয় (সেভেন সামিট) করেন তিনি।

গত জুন মাসে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদ থেকে ফেসবুক পেজে লাইভে এসে অভিযান নিয়ে কথা বলেন ওয়াসফিয়া। তিনি ওই সময় বলেন, সবকিছু ঠিক থাকলে ১৫ জুন ইসলামাবাদ থেকে দলেবলে গিলগিত-বালতিস্তান অঞ্চলের স্কারদু শহরে যাবেন তাঁরা। প্রায় আড়াই মাসের এ অভিযান শুরু হবে ব্রড পিকের চূড়ায় আরোহণের লক্ষ্য নিয়ে। সফল হলে পা বাড়াবেন কে-টু পর্বতশৃঙ্গ ছুঁতে। ১২ জনের দলে ওয়াসফিয়াসহ নারী পর্বতারোহী ৬ জন। যাঁদের মধ্যে তিনিই একমাত্র বাংলাদেশি।

উচ্চতায় এভারেস্টের পর হলেও পর্বতারোহীদের কাছে সবচেয়ে কঠিন পর্বত হিসেবে কে-টু। ১৯৫৪ সাল থেকে মাত্র ৪২৫ জন এটির চূড়ায় উঠেছেন, যার মধ্যে ২০ জন নারী।

এএফপি জানায়, শুক্রবার ওয়াসফিয়া নাজরীনের সঙ্গে কে-টু জয় করেছেন ইরানি আফসানেহ হেসামিফার্ড, লেবানিজ-সৌদি নাগরিক নেলি আত্তার ও পাকিস্তানের সামিনা বেগ। তারা প্রত্যেকেই নিজ নিজ দেশের প্রথম নারী পর্বতারোহী হিসেবে কে-টু জয় করেছেন।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন