এর আগে ৭ অক্টোবর সৌদি দূতাবাস থেকে জানানো হয়, ১৫ অক্টোবরের পর থেকে সৌদি দূতাবাসের অনুমোদিত ভিসা সহায়তাকারী প্রতিষ্ঠান শাপলা সেন্টার পাসপোর্ট জমা নেবে। এ বিষয়ে আবুল বাশার বলেন, শাপলা সেন্টার চালু করে রিক্রুটিং এজেন্সির ক্ষতি করার চেষ্টা চলছে। এখানে কোনো একটি চক্রের উদ্দেশ্য আছে। না হলে দূতাবাস এটি করত না। তিনি আরও বলেন, ভারতে একই নিয়ম করার চেষ্টা হয়েছিল। সেখানকার সব রিক্রুটিং এজেন্সি মিলে সেটি প্রতিহত করেছে।

বায়রার নেতারা অভিযোগ করেন, মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারের মতো একটি চক্র তৈরির অপচেষ্টা হলো শাপলা সেন্টার। বর্তমানে কোনো প্রকার ফি ছাড়াই সৌদি দূতাবাসে কর্মীদের পাসপোর্ট জমা দেওয়া যায়। তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে হলে আলাদা ফি যুক্ত হবে। এতে অভিবাসন খরচ বেড়ে যাবে।

দেশ থেকে কর্মী পাঠানোর সবচেয়ে বৃহৎ শ্রমবাজার হলো মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সৌদি আরব। বর্তমানে দেশটিতে বাংলাদেশের প্রায় ২৫ লাখ কর্মী কাজ করেন বলে ধারণা করা হয়।

কয়েক বছর ধরে সবচেয়ে বেশি কর্মী যাচ্ছেন দেশটিতে। গত বছর বিদেশে যাওয়া ৬ লাখ কর্মীর মধ্যে সাড়ে চার লাখ গেছেন সৌদি আরবে। এ বছরের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৯ মাসে বিভিন্ন দেশে যাওয়া ৮ লাখ ৭৪ হাজার কর্মীর মধ্যে সৌদি আরবে গেছেন ৫ লাখ ১৩ হাজার কর্মী।

আবুল বাশারের সভাপতিত্বে বায়রার জরুরি সভা পরিচালনা করেন বায়রার মহাসচিব শামীম আহমেদ চৌধুরী ও যুগ্ম মহাসচিব ফখরুল ইসলাম।