সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে শামসুজ্জামান বলেন, ‘বাংলাদেশে বর্তমানে এমন একটা শাসন প্রত্যক্ষ করছি। যা ৫১ বছরে কখনো দেখিনি। কিছু অসাধু ব্যবসায়ী, আদর্শহীন রাজনৈতিক—এদের দাপট অকল্পনীয়। সরকার আশ্রিত কিছু সাংবাদিক, বিপথগামী সাংবাদিক বললে ভালো হয়। নিজের স্বার্থে, আপন স্বার্থে, গোষ্ঠীর স্বার্থে আজ তাঁরা সত্যকে মিথ্যা, মিথ্যাকে সত্য বানাচ্ছে।

শামসুজ্জামান বলেন, ‘এমন অগণতান্ত্রিক রাষ্ট্র পৃথিবীতে আর দেখা গেছে কি না, সন্দেহ আছে। খালেদা জিয়াকে মিথ্যা মামলায় বন্দী করে রাখা হয়েছে। সংবিধানের যা বিধান আছে, তাতে তিনি জামিনপ্রাপ্ত। কিন্তু তাঁকে বন্দী করে রাখা হয়েছে। অথচ সাবেক এক সেনাপ্রধানের ভাই রাষ্ট্রপতির ক্ষমাপ্রাপ্ত হয়ে দেশ ছেড়ে চলে গেছেন। তিনি মালয়েশিয়া যাওয়ার পরে আমরা ঘটনা জেনেছি।’

শামসুজ্জামান বলেন, আওয়ামী লীগ ঢাকা শহরে যদি সমাবেশ করতে বাধা দেয়, তবে এই সমাবেশ ঢাকা শহরজুড়ে হবে। শুধু এক দিন নয়, সপ্তাহব্যাপী হবে। এভাবে বাধা দিয়ে বিএনপির জনপ্রিয়তা বন্ধ করা যাবে না। এ সরকারের অন্যায়ের প্রতিবাদ করে আজ যাঁরা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন, বিএনপি ক্ষমতায় এলে তাঁদের বিবেচনা করবে।

শামসুজ্জামান আরও বলেন, আমরা বলব খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিন। না হয় যে জনস্রোত উঠেছে, বেগম জিয়াকে রাখতে পারবেন না। যখন প্রয়োজন হবে, সবাইকে রাজপথে চলে আসতে হবে।

সভায় বাংলাদেশ ইয়ুথ ফোরামের সভাপতি সাইদুর রহমানের সঞ্চালনায় সভাপতিত্ব করেন উপদেষ্টা নাজমুল হাসান। বিশেষ অতিথি ছিলেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক আবদুস সালাম, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা শাহজাদা মিয়া, যুগ্ম মহাসচিব খাইরুল কবির খোকন।

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক আবদুস সালাম বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় থাকলে দুর্ভিক্ষ হবেই। জনগণকে বিদ্যুৎ সাশ্রয় ও ব্যয় কমাতে না বলে আপনার সরকারের ব্যয় কমান। গণভবনের, বঙ্গভবনের, সংসদের ব্যয় কমান। দেখবেন কত সাশ্রয় হয়ে যাচ্ছে।

সভায় বিএনপি ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতা–কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।