শিক্ষামন্ত্রী বলেন, পাঠ্যবই নিয়ে নানান জায়গায় আলোচনা হচ্ছে। ধর্মীয় বিষয় নিয়েও কিছু আলোচনা আছে। এ জন্য দুটি কমিটি করা হচ্ছে। আগামী রোববারের মধ্যে বিস্তারিত জানানো হবে। এর মধ্যে একটি কমিটি করা হচ্ছে বিশেষজ্ঞদের নিয়ে। শিক্ষাবিদ, স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষজ্ঞ, মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ও ধর্মীয় বিষয়ের বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে এই কমিটি গঠন করা হবে। এ জন্য একটি ওয়েব লিংক দেওয়া হবে, যেখানে যেকোনো বই নিয়ে মত, আপত্তি বা পরামর্শ দেওয়া যাবে দেশ বা বিদেশ থেকে। এই কমিটি এসব মত, আপত্তি ও পরামর্শ বিচার-বিশ্লেষণ করে যা সবচেয়ে ভালো হয়, তা–ই করবে। ভুল থাকলে তা অবশ্যই সংশোধন করা হবে।

আরেক কমিটির কার্যপরিধির কথা বলতে গিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শর্ষের মধ্যেও কোথাও ভূত আছে। যে প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে কাজটি করা হয়েছে, সেখানে অনেক মানুষ জড়িত। এনসিটিবির কেউ যদি ইচ্ছাকৃত বা অনিচ্ছাকৃত ভুল করে থাকে...। কিন্তু বিষয়টি এত গুরুত্বপূর্ণ যে এখানে ইচ্ছাকৃত ভুল করলে ছাড় দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। এই কমিটি পুরো বিষয়টি তদন্ত করে দেখবে। কোথাও যদি কারও বিরুদ্ধে গাফিলতির প্রমাণ পাওয়া যায়, তাহলে অবশ্যই কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সংবাদ সম্মেলনে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেনসহ শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।