হাইকোর্টের আদেশের ফলে এই মামলায় সোনিয়ার কারামুক্তিতে আইনগত বাধা নেই বলে জানিয়েছেন তাঁর অন্যতম আইনজীবী মাকসুদ উল্লাহ। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, এই মামলায় ৫ অক্টোবর সোনিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি এখন রাজবাড়ী কারাগারে আছেন।

সোনিয়া রাজবাড়ী ব্লাড ডোনার্সের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি। তিনি জেলা মহিলা দলের সদস্য। শহরের ৩ নম্বর বেড়াডাঙ্গা এলাকায় তিনি বসবাস করেন। তাঁর স্বামী প্রবাসী।

এর আগে এই মামলায় রাজবাড়ী জেলা ও দায়রা জজ আদালতে জামিন চেয়ে ২৬ অক্টোবর বিফল হন সোনিয়া। তারপর তিনি জামিন চেয়ে ৩০ অক্টোবর হাইকোর্টে আবেদন করেন।

হাইকোর্টে সোনিয়ার পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলী। সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী কায়সার কামাল, মাকসুদ উল্লাহ ও রোকনুজ্জামান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. মহিউদ্দিন দেওয়ান।

ফেসবুকে ‘আপত্তিকর’ পোস্টের বিষয়ে রাজবাড়ী সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দেন সামসুল আরেফিন চৌধুরী নামের আওয়ামী লীগের স্থানীয় এক নেতা। পরে অভিযোগটি মামলা হিসেবে ৫ অক্টোবর রেকর্ড করা হয়।

অভিযোগ অনুযায়ী, গত ৩১ আগস্ট সোনিয়া তাঁর নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে একটি স্ট্যাটাস দেন। এতে তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একটি বক্তব্যের সমালোচনা করে ‘আপত্তিকর’ কথা লেখেন। অনেকে পোস্টটি দেখায় প্রধানমন্ত্রীর সুনাম ক্ষুণ্ন ও মানহানি হয়েছে।

অভিযোগকারী সামসুল আরেফিন রাজবাড়ী সদর উপজেলার মিজানপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক।