প্রত্যক্ষদর্শী রকিব উদ্দিন বলেন, আজ বিকেল চারটার দিকে কোটচাঁদপুর-ঝিনাইদহ ভায়া জিয়ানগর সড়কের হাজীডাঙ্গা ব্রিজের সামনে হাবিবুর রহমান তাঁর মোটরসাইকেলের নিয়ন্ত্রণ হারান। এ সময় মোটরসাইকেলটি সড়কে থাকা একটি ভ্যানকে ধাক্কা দিলে হবিবুর রহমান গুরুতর আহত হন। তৎক্ষণাৎ স্থানীয় লোকজন উদ্ধার করে কোটচাঁদপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার পর চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

এর আগে বেলা সোয়া তিনটার দিকে এলাঙ্গী-রাঙ্গিয়ারপোতা সড়কের এলাঙ্গী এলাকায় আলমসাধুর চাপায় আলামিন হোসেন গুরুতর আহত হয়। এলাঙ্গী গ্রামের বাসিন্দা শিক্ষক শরাফৎ হোসেন বলেন, আলামিন সড়কের পাশের দোকানে সামনে খেলছিল। এ সময় দ্রুতগামী একটি আলমসাধু তাকে চাপা দিয়ে পালিয়ে যায়। এতে আলামিন গুরুতর আহত হয়। পরে স্থানীয় ব্যক্তিরা তাকে উদ্ধার করে কোটচাঁদপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন। এ সময় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য যশোরে স্থানান্তর করেন।

কোটচাঁদপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক শারমিন আক্তার বলেন, হবিবুর রহমানকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছিল। নিহত ব্যক্তির লাশ এখনো স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রয়েছে। অন্যদিকে সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত আলামিনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে যশোরে পাঠানো হয়েছে। তার অবস্থাও আশঙ্কাজনক।