গত শনিবার ভোর পাঁচটার দিকে র‍্যাব-১১ বিশেষ অভিযান চালিয়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের টিপুরদী থেকে কনটেইনার দুটি জব্দ করে। পরে বেলা একটায় র‍্যাব ও কাস্টমসের কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে কনটেইনার খুলে বিপুল পরিমাণ বিদেশি মদের বোতল উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় দুজনকে আটক করে র‍্যাব। তবে তাৎক্ষণিকভাবে র‍্যাব আটক দুজনের নাম প্রকাশ করেনি।

এ ঘটনায় র‌্যাব-১১–এর উপপরিচালক শাহাদাত হোসেন বাদী হয়ে ইউপি চেয়ারম্যান মো. আজিজুল ইসলাম ও তাঁর দুই ছেলেসহ ১১ জনকে আসামি করে মামলা করেন।

মামলায় উল্লেখ করা হয়, দুটি কনটেইনারে ৩৬ হাজার ৮১৬ বোতল বিদেশি মদ ছিল। যার আনুমানিক মূল্য ৪৬ কোটি ৮৮ লাখ ৮০ হাজার টাকা।

এ দিকে রোববার ঢাকায় র‌্যাবের মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে র‌্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেন, টিভি ও গাড়ির পার্টস ব্যবসার আড়ালে আজিজুল ইসলামের দুই ছেলে মিজানুর রহমান ও আবদুল আহাদ দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে সিঅ্যান্ডএফের মাধ্যমে বিদেশ থেকে মদ আমদানি করে বিক্রি করতেন। গার্মেন্টস পণ্যের আড়ালে অভিনব কায়দায় শুল্ক ফাঁকি দিয়ে তাঁরা এই ব্যবসা করতেন। আসামিদের স্বীকারোক্তিতে র‌্যাব ঢাকার ওয়ারীতে অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন দেশের মুদ্রা জব্দ করে।

শ্রীনগর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তোফাজ্জল হোসেন বলেন, ঘটনার সত্যতা পেলে অবশ্যই কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ আজিজুল ইসলামের বিরুদ্ধে দলীয়ভাবে ব্যবস্থা নেবে।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন