আজ সোমবার জাতীয় সংসদে অনির্ধারিত আলোচনায় অংশ নিয়ে ফিরোজ রশীদ এসব কথা বলেন।

সড়ক দুর্ঘটনা নিয়ে পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদন তুলে ধরে কাজী ফিরোজ রশীদ বলেন, ‘এই যে বাসগুলো, এর মালিক কারা? অধিকাংশ বাসের মালিক হচ্ছেন পুলিশ অফিসার। আমাদের যাঁরা রাজনীতি করেন তাঁরা। আর যাঁরা শক্তিশালী আমাদের পাশে বসে আছেন। আমার পেছনে বসে আছেন, আমাদের দলের চিফ হুইপ (বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সভাপতি মসিউর রহমান)। তিনি বলতে পারবেন এসব বাসের মালিক কারা।’

কাজী ফিরোজ রশীদ বলেন, ‘এসব কোনো বাসের কিছু হয় না। কিচ্ছু হয় না। বেপরোয়া বাস চলে। কোন বাসের লাইসেন্স নেই। চালকের লাইসেন্স নেই। সিগন্যাল বাতি নেই। ডানে যাবে না বাঁয়ে যাবে, কেউ বলতে পারে না। এসব চালকদের আজ পর্যন্ত আমরা পথে আনতে পারলাম না। শিক্ষিত করতে পারলাম না।’

ফিরোজ রশীদ বলেন, ‘দেশ অনেক এগিয়ে যাচ্ছে। আমরা স্মার্ট বাংলাদেশ করব। কিন্তু এই যে অবস্থা! এ দিয়ে স্মার্ট বাংলাদেশ করব? আমরা অন্যান্য দেশের সঙ্গে যদি একটু তুলনা করি, সেখানে কি এই অবস্থা আছে? সিঙ্গাপুরে আছে? মালয়েশিয়ায় আছে?’

জাপার এই সংসদ সদস্য বলেন, সরকার রাস্তাঘাটের অনেক উন্নয়ন করেছে। এসব রাস্তা দিয়ে রাতের বেলা ২০ টন–৩০ টনের ট্রাক চলে। দেখার কেউ নেই। টাকা খেয়ে এই ট্রাকগুলোকে রাস্তায় ঢুকতে দেওয়া হয়। তিনি বলেন, বাস ও চালকের লাইসেন্স আছে কি না, গাড়ির ফিটনেস আছে কি না, এসব যাচাই করলে এসব ঘটনা ঘটত না। দেশের বাইরে কোথাও মহাসড়কে মোটরসাইকেল বা ভটভটি চলে না। বাংলাদেশে চলছে। এসব ভটভটি-নছিমন–করিমনের কোনো ব্রেক নেই। এসব দেখার জন্য জেলা প্রশাসকদের দায়িত্ব দেওয়ার দাবি জানান তিনি।