অভিনন্দনবার্তায় শেখ হাসিনা উল্লেখ করেন, মালয়েশিয়া ও বাংলাদেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের জন্য ২০২২ সাল একটি বিশেষ বছর। কারণ, এ বছরই বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়া কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের সুবর্ণজয়ন্তী উদ্‌যাপন করছে।

প্রধানমন্ত্রী কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন, ১৯৭২ সালের শুরুতে মালয়েশিয়া বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেওয়া প্রথম মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশগুলোর মধ্যে একটি। এর পর থেকে দুই দেশ অভিন্ন বিশ্বাস, ভ্রাতৃত্ব এবং সহযোগিতার ভিত্তিতে চমৎকার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক উপভোগ করছে।

প্রধানমন্ত্রী গভীর সন্তুষ্টির সঙ্গে উল্লেখ করেন, মালয়েশিয়ার অর্থনীতির বিভিন্ন খাতে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক বাংলাদেশি নাগরিক কর্মরত। তাঁরা দুই দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে অবদান রাখছেন। তিনি বলেন, উভয় দেশ মানবসম্পদ, বাণিজ্য, বিনিয়োগ, শিক্ষা এবং পর্যটনের মতো বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যাপক অংশীদারত্বকে আরও সুসংহত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

আনোয়ার ইব্রাহিমের গতিশীল নেতৃত্বে বিদ্যমান বহুমাত্রিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে বলে শেখ হাসিনা আস্থা প্রকাশ করেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, তিনি মালয়েশিয়ার নতুন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয়, আঞ্চলিক এবং বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে পারস্পরিক কল্যাণে দুই দেশের স্বার্থে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার অপেক্ষায় আছেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আনোয়ার ইব্রাহিমের সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু এবং মালয়েশিয়ার ভ্রাতৃপ্রতিম জনগণের সুখ ও শান্তি, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন।