২৩ অক্টোবর প্রথম আলোর প্রথম পৃষ্ঠায় ‘করোনা ও ডেঙ্গুর কারণে দৃষ্টির আড়ালে টাইফয়েড’ শিরোনামে প্রতিবেদন ছাপা হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়, পূর্ব রামপুরার নতুনবাগ লোহারগেট এলাকায় টাইফয়েডের প্রকোপ দেখা দিয়েছে। একটি আবাসিক ভবনের বাসিন্দারা বলেন, প্রায় প্রতিটি ঘরে টাইফয়েড বা প্যারাটাইফয়েডের রোগী। ওই দিনই সিএইচআরএফের গবেষকেরা এই এলাকার পানির নমুনা সংগ্রহ করেন।

সিএইচআরএফ ২০১৬ সাল থেকে ঢাকাসহ সারা দেশে টাইফয়েড ও প্যারাটাইফয়েড নিয়ে গবেষণা করছে। তাদের গবেষণা প্রবন্ধ ল্যানসেটসহ বৈশ্বিকভাগে গ্রহণযোগ্য একাধিক সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়েছে। সিএইচআরএফ এদেশে প্রথম করোনাভাইরাসের জিন বিশ্লেষণ করেছিল।

সিএইচআরএফ সূত্র জানায়, গবেষকেরা ওই এলাকার সাতটি স্থান থেকে পানির নমুনা সংগ্রহ করেন। তাঁরা নমুনা সংগ্রহ করেন মেরাদিয়ার নবীনবাগ বালুর মাঠের পুকুর, বউবাজার আল-হাসকা জামে মসজিদ, রামপুরার বউবাজারের ঝিলপাড় রোড ও রামপুরা লেক, পূর্ব রামপুরার তিতাস রোডের সাউদার্ন প্রকল্প–২–এর পুকুর, বউবাজার রোজী প্যালেসের সামনের নর্দমা, পুকুর ও রামপুরা লেক থেকে। এ ছাড়া পূর্ব রামপুরার নবীনবাগের পানির পাম্পে জমে থাকা পানির নমুনা সংগ্রহ করেন।

এর মধ্যে তিনটি নমুনায় গবেষকেরা টাইফয়েডের জীবাণু সালমোনেলা টাইফি পেয়েছেন। এই তিনটি নমুনা বউবাজার আল–হাসকা জামে মসজিদ, রামপুরা বউবাজারের ঝিলপাড় রোড ও রামপুরা লেক থেকে সংগ্রহ করা হয়েছিল। এই মুহূর্তে এর বেশি তথ্য দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন সিএইচআরএফের কর্তাব্যক্তিরা।

জনস্বাস্থ্যবিদেরা বলছেন, টাইফয়েড পানিবাহিত রোগ। অনেক সময় সবজি বা ফল বিক্রেতারা নর্দমার পানি দিয়ে সবজি বা ফল ধুয়ে থাকেন। অনেকে কোনো কোনো সবজি বা ফল কাঁচা খান, এটা ঝুঁকির।